আট বছর বয়সী রামিসার ধর্ষণ ও হত্যা মামলার রায় রোববার, ৭ জুন ২০২৬ ঘোষণা করা হবে বলে আশা করা হচ্ছে। মামলাটি দায়েরের মাত্র ১৯ দিনের মধ্যে এবং বিচার কার্যক্রম শুরুর মাত্র নয় কার্যদিবসের মধ্যে রায়ের পর্যায়ে পৌঁছেছে, যা বাংলাদেশের বিচার বিভাগের ইতিহাসে দ্রুততম বিচার প্রক্রিয়াগুলোর একটি।
বিশ্লেষকদের মন্তব্য
বিশ্লেষকরা এটিকে দেশের বিচার ব্যবস্থার জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে বর্ণনা করছেন। সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন)-এর প্রতিষ্ঠাতা সচিব বদিউল আলম মজুমদার দ্য ডেইলি অবজারভারকে বলেন, 'এত অল্প সময়ে এত আলোচিত একটি হত্যা মামলায় রায় দেওয়া নিঃসন্দেহে একটি মাইলফলক। বর্তমান সরকার এই অর্জনের জন্য কৃতিত্বের দাবিদার। তবে সাগর-রুনি, তাকি ও টনু হত্যা মামলাসহ অন্যান্য আলোচিত মামলায়ও দ্রুত বিচার নিশ্চিত করার ওপর সমান গুরুত্ব দেওয়া উচিত।'
বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট মাসুদ আহমেদ তালুকদার বলেন, 'সাক্ষীদের জবানবন্দি ও প্রমাণ প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার পর রায়ের তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে। তদন্ত ও বিচার প্রক্রিয়ায় অভিযুক্তের সংশ্লিষ্টতা স্পষ্টভাবে প্রমাণিত হয়েছে। আমরা আশা করি প্রকৃত অপরাধীরা তাদের উপযুক্ত শাস্তি পাবে।'
বিএনপির স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ডা. রফিকুল ইসলাম বলেন, 'দেশের জনগণ এই নৃশংস অপরাধের দ্রুত বিচার ও সর্বোচ্চ শাস্তি চায়। একইসঙ্গে নিম্ন আদালতের রায়ের পর সরকারের উচিত উচ্চ আদালতের কার্যক্রমও দ্রুত শেষ করা এবং চূড়ান্ত রায় বিনা বিলম্বে কার্যকর করা।'
ঘটনার বিবরণ
২০২৬ সালের ১৯ মে পল্লবীর একটি অ্যাপার্টমেন্ট থেকে রামিসার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এই ঘটনা সারা দেশে ক্ষোভ ও নিন্দার ঝড় তোলে। প্রধানমন্ত্রী তারিক রহমান পরে রামিসার পরিবারের সঙ্গে দেখা করেন এবং দ্রুত বিচারের আশ্বাস দেন।



