আদাবরে বিএনপি নেতা হত্যা: আরও এক আসামির স্বীকারোক্তি, মোট ৬ জন
আদাবরে বিএনপি নেতা হত্যা: আরও এক আসামির স্বীকারোক্তি

ঢাকার আদাবরে বিএনপি নেতা আবুল বাশার হত্যা মামলায় আরও এক আসামি আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। তাঁর নাম পারভেজ। আজ সোমবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মনিরুল ইসলাম তাঁর জবানবন্দি রেকর্ড করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। এ নিয়ে এ মামলায় মোট ছয়জন স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিলেন।

গ্রেপ্তার ও জবানবন্দি

প্রসিকিউশন বিভাগের এসআই মিজানুর রহমান জানান, আজ পারভেজকে আদালতে হাজির করে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি রেকর্ডের আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা আদাবর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) হাফিজুর রহমান। গতকাল রোববার ভোরে কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলা থেকে মামলার এজাহারভুক্ত আসামি পারভেজকে গ্রেপ্তার করে র‍্যাব।

ঘটনার বিবরণ

গত ২৯ জুন আদাবরে নবোদয় হাউজিং এলাকায় জাপান ও ব্রাজিলের মধ্যকার বিশ্বকাপ ফুটবল খেলা দেখা নিয়ে সাদ্দাম হোসেনের সঙ্গে একই এলাকার মজনু ও শহীদ গ্রুপের বিরোধের সূত্রপাত হয়। পরে ১ জুলাই সন্ধ্যায় দুই পক্ষ সালিসে বসলেও সমাধান না হওয়ায় সংঘর্ষ বাধে। এ সময় আবুল বাশার পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করলে পারভেজ ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাঁকে ও সাদ্দাম হোসেনকে উপর্যুপরি আঘাত করেন।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

হাসপাতালে নেওয়া ও মৃত্যু

আহত দুজনকে প্রথমে শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে আবুল বাশারের অবস্থার অবনতি হলে তাঁকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসকেরা তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। আহত সাদ্দাম বর্তমানে চিকিৎসাধীন।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

মামলা ও এজাহার

ঘটনার তিন দিন পর আবুল বাশারের স্ত্রী স্মৃতি আক্তার আদাবর থানায় হত্যা মামলা করেন। মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, ব্রাজিলের জয় উদ্‌যাপনকে কেন্দ্র করে বাঁশি বাজানো নিয়ে প্রথমে বিরোধের সৃষ্টি হয়। পরে বিষয়টি মীমাংসার উদ্যোগ নেওয়া হলেও বুধবার রাতে নবোদয় চার রাস্তার মোড়ে ওঁৎ পেতে থাকা হামলাকারীরা সাদ্দাম ও বাদশাহর ওপর ধারালো অস্ত্র নিয়ে হামলা চালায়। এতে বাদশাহ নিহত হন এবং সাদ্দাম গুরুতর আহত হন।