শিল্পকলা একাডেমিতে ডি-নথি ও ওয়েবসাইট ব্যবস্থাপনা প্রশিক্ষণ শেষ
বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে আয়োজিত তিন দিনব্যাপী ‘ডি-নথি এবং ওয়েবসাইট’ বিষয়ক প্রশিক্ষণ কর্মশালা শেষ হয়েছে। সরকারি কর্মসম্পাদন পরিবীক্ষণ পদ্ধতি (জিপিএমএস) কার্যক্রমের আওতায় একাডেমির জনসংযোগ শাখা এবং আইসিটি ও ইনোভেশন সেলের ব্যবস্থাপনায় এ প্রশিক্ষণের আয়োজন করা হয়।
মঙ্গলবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গত ১৪ জুন জাতীয় নাট্যশালা ভবনের সেমিনার কক্ষে প্রশিক্ষণ কার্যক্রম শুরু হয়। এতে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির কর্মকর্তা-কর্মচারীদের পাশাপাশি জেলা কালচারাল অফিসাররা অনলাইনে অংশ নেন।
প্রশিক্ষণের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক কবি শেখ রেজাউদ্দিন আহমেদ (রেজাউদ্দিন স্টালিন) এবং একাডেমির সচিব মোহাম্মদ জাকির হোসেন।
মহাপরিচালক রেজাউদ্দিন স্টালিন বলেন, বিশ্বব্যাপী ডিজিটালাইজেশনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে বাংলাদেশও পেপারলেস কার্যক্রমের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। ডি-নথির ব্যবহার বৃদ্ধি এবং প্রযুক্তিনির্ভর সেবা কার্যক্রমকে আরও কার্যকর করতে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দক্ষতা উন্নয়ন জরুরি। তিনি বলেন, একটি প্রতিষ্ঠানের ওয়েবসাইট তার মুখপত্র হিসেবে কাজ করে। তাই ওয়েবসাইটকে আরও দৃষ্টিনন্দন, কার্যকর এবং জনবান্ধব করতে দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলার বিকল্প নেই।
একাডেমির সচিব মোহাম্মদ জাকির হোসেন বলেন, ভবিষ্যতে ডি-নথির কার্যক্রম আরও সম্প্রসারণ করা হবে। একাডেমির প্রশাসনিক ও একাডেমিক কার্যক্রমে গতিশীলতা আনতে এবং পেপারলেস ব্যবস্থাপনা জোরদার করতে ডি-নথির ব্যবহার বাড়ানো হবে।
১৪ থেকে ১৬ জুন প্রতিদিন সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত অনুষ্ঠিত প্রশিক্ষণে ডি-নথি ব্যবস্থাপনা বিষয়ে প্রশিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন অ্যাসপায়ার টু ইনোভেট (এটুআই)-এর জুনিয়র কনসালট্যান্ট মো. শেহেজিন শাহরিয়ার (সোহান)। ওয়েবসাইট ব্যবস্থাপনা বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেন এটুআই-এর কনসালট্যান্ট কাজী মোহাইমিনুল ইসলাম।
প্রশিক্ষণ কর্মশালার কোর্স পরিচালক ছিলেন একাডেমির সচিব মোহাম্মদ জাকির হোসেন। সমন্বয়কের দায়িত্ব পালন করেন জনসংযোগ কর্মকর্তা (প্রশাসন) ও আইসিটি কর্মকর্তা (অতিরিক্ত দায়িত্ব) সাবিনা ইয়াসমিন।



