কোরবানির ঈদের পর সাভারের চামড়া শিল্প এলাকায় ব্যস্ততা বেড়েছে। শ্রমিক ও ট্যানারি মালিকরা কাঁচা চামড়া সংগ্রহ করে লবণ দিয়ে সংরক্ষণের কাজে ব্যস্ত সময় পার করছেন। সারাদিন ধরে ট্রাকভর্তি চামড়া শিল্প এলাকার বিভিন্ন ট্যানারিতে আসছে।
পরিবেশগত সনদ না থাকায় চিনে রপ্তানি
এই খাতটি এখনও ইউরোপীয় বাজারে সরাসরি প্রবেশের জন্য প্রয়োজনীয় পরিবেশগত সনদ পায়নি। ফলে অধিকাংশ চামড়া চিনে রপ্তানি করা হচ্ছে। ট্যানারিগুলোতে চামড়া শুকানোর জন্য ফ্যাক্টরিতে ঝুলিয়ে রাখা হচ্ছে, যা পরে তৈরি চামড়ায় রূপান্তরিত হবে।
দেশীয় ও আন্তর্জাতিক বাজারের চাহিদা পূরণ
সাভার শিল্প এলাকার কারখানাগুলোতে তৈরি চামড়া শুকানোর কাজ জোরকদমে চলছে। দেশীয় চামড়াজাত পণ্যের কারখানার চাহিদা এবং আন্তর্জাতিক বাজারে রপ্তানির জন্য এই কাজ করা হচ্ছে।
একজন শ্রমিক সাভারের একটি ট্যানারিতে সংরক্ষণের পর প্রক্রিয়াজাত চামড়া সাজিয়ে রাখছেন। কাঁচা চামড়া সংরক্ষণের প্রাথমিক পর্যায় শেষে সেগুলো সাভারের কারখানা থেকে অন্য কারখানায় নেওয়া হচ্ছে।
কোরবানির পশুর কাঁচা চামড়া প্রক্রিয়াজাত করার পর শ্রমিকরা সেগুলো সাভার শিল্প এলাকার কারখানায় পরিবহনে ব্যস্ত। সংরক্ষণের পর প্রক্রিয়াজাত চামড়া সাজানোর কাজও চলছে।
সাভারের চামড়া কারখানার শ্রমিকরা কাঁচা চামড়ার গুণগত মান বজায় রাখতে চব্বিশ ঘণ্টা কাজ করছেন। সাভারের ট্যানারিগুলোতে পশুর কাঁচা চামড়া প্রক্রিয়াজাতকরণ জোরদারভাবে চলছে।
সাভারের ট্যানারিগুলোতে কাঁচা চামড়ার স্তূপ রয়েছে, যেখানে একজন শ্রমিক পচন রোধ ও গুণগত মান বজায় রাখতে লবণযুক্ত চামড়া আলাদা করছেন।



