শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসিকে ‘এ’ ক্যাটাগরি থেকে সর্বনিম্ন ‘জেড’ ক্যাটাগরিতে নামিয়েছে পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। টানা দুই বছর বিনিয়োগকারীদের কোনো লভ্যাংশ দিতে ব্যর্থ হওয়ায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
ঘোষণা ও তাৎক্ষণিক কার্যকারিতা
বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত এক ঘোষণায় এই তথ্য জানানো হয়। এতে বলা হয়েছে, ‘জেড’ ক্যাটাগরিতে অন্তর্ভুক্তির ফলে এখন থেকে ইসলামী ব্যাংকের শেয়ার কেনার ক্ষেত্রে বিনিয়োগকারীরা কোনো মার্জিন ঋণ সুবিধা পাবেন না। সিদ্ধান্তটি তাৎক্ষণিকভাবে কার্যকর হয়েছে।
অন্যান্য ব্যাংকের ক্যাটাগরি পরিবর্তন
একই কারণে বেসরকারি খাতের স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংক লিমিটেড এবং সাউথ বাংলা এগ্রিকালচার অ্যান্ড কমার্স ব্যাংককেও ‘বি’ ক্যাটাগরি থেকে ‘জেড’ ক্যাটাগরিতে নামানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এসব ব্যাংকের ক্ষেত্রেও শেয়ার ক্রয়ে ঋণ সুবিধা বন্ধ থাকবে।
শেয়ারদরে প্রভাব
ক্যাটাগরি অবনমনের ঘোষণার প্রভাব পড়েছে শেয়ারদরে। দিনটির লেনদেন শুরুর দিকে ইসলামী ব্যাংকের শেয়ার দর ছিল ৩৪ টাকা ৭০ পয়সা। তবে বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে দর কমে দুপুর ১২টার দিকে ৩৩ টাকা ১০ পয়সায় নেমে আসে।
বিশেষজ্ঞদের মতামত
পুঁজিবাজার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, কোনো কোম্পানি ধারাবাহিকভাবে লভ্যাংশ দিতে ব্যর্থ হলে বিনিয়োগকারীদের আস্থা কমে যায়; যার সরাসরি প্রভাব পড়ে শেয়ারদর ও লেনদেনে। ‘জেড’ ক্যাটাগরিতে অন্তর্ভুক্তি সাধারণত কোম্পানির আর্থিক দুর্বলতার ইঙ্গিত বহন করে এবং এতে বিনিয়োগ ঝুঁকি বেড়ে যায়।



