যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পাদিত বাণিজ্যচুক্তিতে বাংলাদেশের ওপর একতরফাভাবে নানা বাধ্যবাধকতা আরোপ করা হয়েছে। অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রকে তেমন কোনো বাধ্যবাধকতা পালন করতে হবে না বলে বিশ্লেষকরা মন্তব্য করেছেন। চুক্তির ভাষা বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, ইংরেজি ‘শ্যাল’ শব্দটি ব্যবহার করা হয়েছে বাধ্যতামূলক বিষয় নির্দেশ করতে, আর ‘উইল’ শব্দটি ইচ্ছাধীন বিষয় বোঝাতে।
চুক্তির ভাষা বিশ্লেষণ
৩২ পৃষ্ঠার এই চুক্তিতে ‘শ্যাল’ শব্দটি মোট ১৭৯ বার ব্যবহৃত হয়েছে, যেখানে ‘উইল’ শব্দটি এসেছে মাত্র ৩ বার। এর মধ্যে ‘বাংলাদেশ শ্যাল’ বাক্যাংশটি ১৩১ বার উল্লেখ করা হয়েছে, অপরদিকে ‘ইউএস শ্যাল’ রয়েছে মাত্র ৬ বার। এই পার্থক্য স্পষ্টভাবে ইঙ্গিত করে যে চুক্তিটি বাংলাদেশের জন্য অধিকতর বাধ্যবাধকতা সৃষ্টি করেছে।
বিশেষজ্ঞদের মতামত
বাণিজ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ‘শ্যাল’ শব্দের এত বেশি ব্যবহার বাংলাদেশের ওপর চাপ সৃষ্টি করবে। অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ‘উইল’ শব্দের ব্যবহার ইঙ্গিত দেয় যে তারা নিজেদের ইচ্ছামতো সিদ্ধান্ত নিতে পারবে। এই বৈষম্য বাংলাদেশের স্বার্থের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে।
প্রথম আলোর খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন। বাণিজ্য থেকে আরও পড়ুন: শর্টস।



