বাজুসের ঘোষণায় স্বর্ণের দাম বেড়েছে, রুপার মূল্যও সমন্বয়
বাজুসের ঘোষণায় স্বর্ণ ও রুপার দাম বৃদ্ধি

বাজুসের ঘোষণায় স্বর্ণ ও রুপার দাম বৃদ্ধি

দেশের বাজারে স্বর্ণ ও রুপার দাম বাড়িয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস)। বুধবার (১১ মার্চ) সকালে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই দাম সমন্বয়ের ঘোষণা দেওয়া হয়। আন্তর্জাতিক বাজারে তেজাবী স্বর্ণ ও রুপার দাম বৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানানো হয়েছে।

স্বর্ণের নতুন দাম কাঠামো

বাজুসের স্ট্যান্ডিং কমিটি অন প্রাইসিং অ্যান্ড প্রাইস মনিটরিংয়ের জরুরি সভায় গৃহীত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, সকাল ১০টা থেকে নতুন দর কার্যকর হয়েছে। ২২ ক্যারেটের ভালো মানের স্বর্ণের দাম ভরিপ্রতি বেড়ে দাঁড়িয়েছে দুই লাখ ৭০ হাজার ৪২৯ টাকা। একদিনের ব্যবধানে ভরিপ্রতি দাম বেড়েছে দুই হাজার ২১৬ টাকা।

অন্যান্য ক্যারেটের স্বর্ণের দামও বৃদ্ধি পেয়েছে:

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ
  • ২১ ক্যারেট স্বর্ণ: ভরিপ্রতি দাম বেড়েছে দুই হাজার ১০০ টাকা, নতুন দাম দুই লাখ ৫৮ হাজার ১২৪ টাকা।
  • ১৮ ক্যারেট স্বর্ণ: ভরিপ্রতি দাম বেড়েছে এক হাজার ৮০৮ টাকা, নতুন দাম দুই লাখ ২১ হাজার ২৬৬ টাকা।
  • সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণ: ভরিপ্রতি দাম বেড়েছে এক হাজার ৯৮ টাকা, নতুন দাম এক লাখ ৮০ হাজার ৬১৭ টাকা।

রুপার দামেও পরিবর্তন

স্বর্ণের পাশাপাশি রুপার দামও বাড়ানো হয়েছে। নতুন দাম অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপা ছয় হাজার ৭০৬ টাকায় বিক্রি হবে, যা আগের দিন ছিলো ছয় হাজার ৫৩১ টাকা। এর মানে একদিনের ব্যবধানে দাম বেড়েছে ১৭৫ টাকা।

অন্যান্য ক্যারেটের রুপার দাম:

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ
  • ২১ ক্যারেট রুপা: প্রতি ভরি ছয় হাজার ৪১৫ টাকা।
  • ১৮ ক্যারেট রুপা: প্রতি ভরি পাঁচ হাজার ৪৮২ টাকা।
  • সনাতন পদ্ধতির রুপা: প্রতি ভরি চার হাজার ৮২ টাকা।

দাম সমন্বয়ের কারণ ও প্রভাব

বাজুস জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক বাজারে তেজাবী স্বর্ণ ও রুপার দাম বৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে এই দাম সমন্বয় করা হয়েছে। পরবর্তী সিদ্ধান্ত না দেওয়া পর্যন্ত দেশের সব জুয়েলারি প্রতিষ্ঠানে এ মূল্য কার্যকর থাকবে। এছাড়া, ক্রেতাদের কাছ থেকে সরকার নির্ধারিত পাঁচ শতাংশ ভ্যাট সংগ্রহ করে তা সরকারি কোষাগারে জমা দিতে হবে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

এই দাম বৃদ্ধি ভোক্তাদের উপর প্রভাব ফেলতে পারে, বিশেষ করে বিবাহ মৌসুম ও উৎসবের সময় স্বর্ণ ও রুপার চাহিদা বাড়লে। বাজুসের এই সিদ্ধান্ত বাজার মনিটরিং এবং মূল্য স্থিতিশীলতা বজায় রাখার প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে দেখা যাচ্ছে।