বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে উল্লেখযোগ্য পতন দেখা গেছে। শুক্রবার (১ মে) একদিনেই মূল্যবান এই ধাতুর দাম ১ শতাংশের বেশি কমেছে। বিশ্লেষকদের মতে, জ্বালানি তেলের দাম উচ্চ পর্যায়ে থাকায় বিশ্বব্যাপী আবারও মুদ্রাস্ফীতির চাপ বাড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। এতে কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলো সুদের হার কমানোর পরিকল্পনা থেকে সরে আসতে পারে এমন ধারণা জোরালো হচ্ছে। এর প্রভাবেই সুদবিহীন বিনিয়োগ হিসেবে পরিচিত স্বর্ণের প্রতি বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ কমছে।
স্বর্ণের দাম কত কমেছে?
রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়, শুক্রবার বাংলাদেশ সময় বিকেল ৫টা ৪৯ মিনিটে স্পট গোল্ডের দাম ১ দশমিক ১ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স ৪ হাজার ৫৭৩ দশমিক ৩৩ ডলারে দাঁড়ায়। এতে সাপ্তাহিক ভিত্তিতে প্রায় ২ দশমিক ৮ শতাংশ ক্ষতির পথে রয়েছে স্বর্ণ। একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্রে জুন মাসে সরবরাহের জন্য গোল্ড ফিউচারসের দাম ১ শতাংশ কমে ৪ হাজার ৫৮৫ দশমিক ২০ ডলারে নেমে আসে।
কেন কমছে স্বর্ণের দাম?
বিশ্লেষকদের মতে, স্বল্পমেয়াদে জ্বালানি তেলের দাম বাড়লে তা স্বর্ণবাজারে চাপ তৈরি করে। এতে সুদের হারের ওপর প্রভাব পড়ে, যা স্বর্ণের দামের জন্য নেতিবাচক হয়। সাধারণত ভূরাজনৈতিক অনিশ্চয়তা ও মুদ্রাস্ফীতির সময়ে স্বর্ণকে নিরাপদ বিনিয়োগ হিসেবে দেখা হয়। তবে সুদের হার বেশি থাকলে বিনিয়োগকারীরা স্বর্ণের বদলে যুক্তরাষ্ট্রের ট্রেজারির মতো সুদবাহী সম্পদের দিকে ঝুঁকে পড়েন।
স্বর্ণের পাশাপাশি রুপা, প্লাটিনাম ও প্যালাডিয়ামের দামও বিশ্ববাজারে কমেছে। বিশ্ববাজারে এই পতনের ধারা অব্যাহত থাকলে আগামী দিনে স্বর্ণের দাম আরও কমতে পারে বলে ধারণা করছেন বিশ্লেষকরা।



