ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন (ডিএসসিসি) পবিত্র ঈদুল আজহার কুরবানির বর্জ্য অপসারণে তাদের নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে গেছে। কুরবানি শুরুর পর থেকে গত তিন দিনে কর্পোরেশন সর্বমোট ৩৬ হাজার ৮৬ টন বর্জ্য অপসারণ নিশ্চিত করেছে। তবে সময়মতো পশুর হাটের বর্জ্য পরিষ্কার না করার দায়ে সংশ্লিষ্ট ১১টি অস্থায়ী হাটের ইজারাদারদের জামানত বাজেয়াপ্ত ও তাদের কালো তালিকাভুক্ত করার ঘোষণা দিয়েছেন ডিএসসিসি প্রশাসক মো. আব্দুস সালাম।
সংবাদ সম্মেলনে বিস্তারিত তথ্য
রোববার (৩১ মে) ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের নগর ভবনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে প্রশাসক মো. আব্দুস সালাম এসব তথ্য জানান। এবারের ঈদে কুরবানির বর্জ্য অপসারণে প্রাথমিক লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল ৩৪ হাজার টন। তবে মাঠপর্যায়ে নিবিড় কার্যক্রমের মাধ্যমে তিন দিনে সেই লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে মোট ৩৬ হাজার টনেরও বেশি বর্জ্য অপসারণ করা হয়েছে।
পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমে বিপুল জনবল
এই বিশাল পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম সফলভাবে সম্পন্ন করতে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের সাড়ে ১৩ হাজার পরিচ্ছন্নতাকর্মী ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারী নিরলসভাবে অংশ নেন। তারা দিনরাত কাজ করে নগরীকে দ্রুততম সময়ের মধ্যে পরিচ্ছন্ন ও দুর্গন্ধমুক্ত করার চেষ্টা চালান।
ইজারাদারদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা
চুক্তি অনুযায়ী নির্ধারিত সময়ের মধ্যে হাটের বর্জ্য অপসারণে ব্যর্থ হওয়ায় ১১টি অস্থায়ী পশুর হাটের ইজারাদারের জামানত সম্পূর্ণ বাজেয়াপ্ত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে নিয়ম অমান্যকারী এসব ইজারাদারকে স্থায়ীভাবে কালো তালিকাভুক্ত করা হচ্ছে। হাটের বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় আরও কঠোরতা আনতে এবং ইজারাদারদের দায়িত্বশীলতা বাড়াতে আগামী বছর থেকে পশুর হাটের জামানতের পরিমাণ উল্লেখযোগ্য হারে বাড়ানোর ঘোষণা দেন ডিএসসিসি প্রশাসক।
এছাড়া, নগরীকে দ্রুততম সময়ের মধ্যে পরিচ্ছন্ন ও দুর্গন্ধমুক্ত করতে পরিচ্ছন্নতাকর্মীরা দিনরাত কাজ করেছেন এবং হাটের বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় অবহেলার ক্ষেত্রে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করা হয়েছে বলেও জানিয়েছে ডিএসসিসি।



