কোরবানির ঈদ সামনে রেখে রাজধানীর বিভিন্ন পশুর হাটে জমে উঠতে শুরু করেছে বেচাকেনা। হাটে গরুর সরবরাহ বাড়লেও দাম নিয়ে এখনও সন্তুষ্ট নন অনেক ক্রেতা। বিশেষ করে মাঝারি আকারের গরুর চাহিদা বেশি থাকায় এসব গরুর দাম তুলনামূলক বেশি হাঁকা হচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
দিয়াবাড়ী পশুর হাটের চিত্র
রাজধানীর দিয়াবাড়ী পশুর হাটে গিয়ে দেখা গেছে, ছোট ও মাঝারি গরুর বিক্রি বেশি হচ্ছে। কোরবানির গরু কিনতে আসা জহির বলেন, “হাটে গরু বিক্রি হচ্ছে, তবে দাম একটু বেশি মনে হচ্ছে। আরো দুদিন সময় আছে, দেখি এরপর কিনবো।” হাটের ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, সেখানে বেশিরভাগ মাঝারি গরু এক লাখ ১০ হাজার থেকে এক লাখ ৩০-৪০ হাজার টাকার মধ্যে বিক্রি হচ্ছে। একই হাট থেকে গরু কিনে সন্তোষ প্রকাশ করেন মো. আব্দুল দিদার। তিনি বলেন, “সাধ্যের মধ্যেই কোরবানির গরু কিনতে পেরে তিনি সন্তুষ্ট।”
রহমতগঞ্জ গরুর হাট
এদিকে রহমতগঞ্জ গরুর হাটেও মাঝারি গরুর চাহিদা বেশি দেখা গেছে। তবে দিনের বৃষ্টিতে হাটে কাদা জমে কিছুটা ভোগান্তিতে পড়েন ক্রেতা-বিক্রেতারা। গরু কিনতে আসা শামীম জামান বলেন, “মাঝারি গরুর দরদাম বেশি চলছে। আজকে দাম একটু বেশিই মনে হলো। গরু এখনও আসছে, তাই কাল পর্যন্ত দেখে তারপর কেনার চিন্তা করছি।”
শাহজাহানপুর পশুর হাট
শাহজাহানপুর পশুর হাটেও একই ধরনের চিত্র দেখা গেছে। সেখানে বড় গরুর দাম দুই লাখ টাকার ওপরে হাঁকা হচ্ছে বলে জানান ক্রেতারা। গরু দেখতে আসা জেসমিন আলম বলেন, “মাঝারি ধরনের গরুর দাম এখন এক লাখ ৫০ হাজার থেকে এক লাখ ৭০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাওয়া হচ্ছে। গত বছর একই ধরনের গরু এক লাখ ৩০ থেকে ৪০ হাজার টাকায় পাওয়া গেছে। আর একটু ছোট সাইজের গরুগুলোর দামও এক লাখ ৪১ থেকে ৪৫ হাজার টাকায় উঠেছে।”
ক্রেতাদের অবস্থান
হাট ঘুরে দেখা গেছে, এখনও অনেক ক্রেতাই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন না। বেশিরভাগ মানুষ কয়েকটি হাট ঘুরে দাম যাচাই করছেন। ব্যবসায়ীদের ধারণা, ঈদের আগের দুই-তিন দিনে বেচাকেনা আরও বাড়বে।



