মার্চে মূল্যস্ফীতি কমে ৮.৭১ শতাংশে, খাদ্যপণ্যের দামে পতনের প্রভাব
বাংলাদেশে মার্চ মাসে সামগ্রিক মূল্যস্ফীতির হার হ্রাস পেয়েছে, যা ফেব্রুয়ারির তুলনায় একটি উল্লেখযোগ্য উন্নতি নির্দেশ করে। প্রধানত খাদ্যপণ্যের দামে পতনের ফলেই এ কমতি লক্ষ্য করা গেছে, যা সাধারণ মানুষের জন্য কিছুটা স্বস্তির খবর বয়ে আনতে পারে।
বিবিএসের সর্বশেষ তথ্য
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, মার্চ ২০২৬ মাসে সার্বিক মূল্যস্ফীতির হার দাঁড়িয়েছে ৮ দশমিক ৭১ শতাংশ। এটি ফেব্রুয়ারি মাসের ৯ দশমিক ১৩ শতাংশের তুলনায় প্রায় ০.৪২ শতাংশ পয়েন্ট কম।
খাদ্য ও খাদ্যবহির্ভূত মূল্যস্ফীতির অবস্থা
মার্চ মাসে খাদ্য মূল্যস্ফীতি উল্লেখযোগ্যভাবে কমে ৮ দশমিক ২৪ শতাংশ এ নেমে এসেছে, যা ফেব্রুয়ারিতে ছিল ৯ দশমিক ৩০ শতাংশ। অন্যদিকে, খাদ্যবহির্ভূত মূল্যস্ফীতি সামান্য বেড়ে মার্চে ৯ দশমিক শূন্য ৯ শতাংশ দাঁড়িয়েছে, যা ফেব্রুয়ারিতে ছিল ৯ দশমিক শূন্য ১ শতাংশ।
গ্রাম ও শহরাঞ্চলের মূল্যস্ফীতি
মার্চ মাসে গ্রামাঞ্চলে মূল্যস্ফীতির হার ছিল ৮ দশমিক ৭২ শতাংশ, অন্যদিকে শহরাঞ্চলে এটি কিছুটা কমে ৮ দশমিক ৬৮ শতাংশ রেকর্ড করা হয়েছে।
পূর্ববর্তী মাসের তুলনা
ফেব্রুয়ারি মাসে সার্বিক মূল্যস্ফীতি বেড়ে ৯ দশমিক ১৩ শতাংশে উঠেছিল, যা ছিল গত ১০ মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ হার। মার্চে এ হ্রাস অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার দিকে একটি ইতিবাচক সংকেত হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।
বিশ্লেষকরা মনে করেন, খাদ্যপণ্যের সরবরাহ বৃদ্ধি এবং সরকারি নীতির প্রভাব মূল্যস্ফীতি কমাতে ভূমিকা রেখেছে। তবে খাদ্যবহির্ভূত খাতের মূল্যস্ফীতি সামান্য বৃদ্ধি পাওয়ায় সতর্কতা প্রয়োজন।



