বাংলাদেশ ব্যাংক বাণিজ্যিক ব্যাংক দুটি থেকে ২৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার কিনেছে, যা বৈদেশিক মুদ্রার বাজারে স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে সহায়ক হবে। রেমিট্যান্স ও রপ্তানি আয়ের প্রবাহ বৃদ্ধির কারণে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
ডলার ক্রয়ের পদ্ধতি ও বিনিময় হার
বৃহস্পতিবার মাল্টিপল প্রাইস অকশন পদ্ধতিতে এই ডলার ক্রয় করা হয়। বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান জানান, প্রতি ডলারের বিনিময় হার নির্ধারণ করা হয়েছে ১২২.৭৫ টাকা।
অফিসিয়ালরা জানান, রেমিট্যান্স ও রপ্তানি আয়ের উচ্চ প্রবাহের কারণে বাজারে ডলারের সরবরাহ বেড়েছে, যা স্থিতিশীল রাখতে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
চলতি অর্থবছরে ডলার ক্রয়ের পরিমাণ
বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরে এ পর্যন্ত কেন্দ্রীয় ব্যাংক বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো থেকে মোট ৬ দশমিক ৪১৬৫ বিলিয়ন ডলার কিনেছে। জুন মাসের প্রথম চার দিনেই কেনা হয়েছে ১০১ মিলিয়ন ডলার।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কর্মকর্তারা জানান, ডলারের মূল্য অত্যধিক কমে গেলে রপ্তানিকারক ও রেমিট্যান্স প্রেরণকারীরা উৎসাহিত হবেন না। তাই বিনিময় হার একটি স্থিতিশীল ও গ্রহণযোগ্য স্তরে রাখতে বাংলাদেশ ব্যাংক বাজারে হস্তক্ষেপ করছে।
পূর্ববর্তী অবস্থা ও অর্থনীতিবিদদের মতামত
পূর্বে কেন্দ্রীয় ব্যাংক বৈদেশিক মুদ্রার চাহিদা মেটাতে রিজার্ভ থেকে বিপুল পরিমাণ ডলার বিক্রি করেছিল। কিন্তু বাজারের অবস্থার উন্নতি হওয়ায় এখন রিজার্ভ শক্তিশালী করতে ডলার কেনার দিকে ঝুঁকেছে।
অর্থনীতিবিদরা বলছেন, এই পদক্ষেপ বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বাড়াতে সাহায্য করবে, পাশাপাশি বিনিময় হারের স্থিতিশীলতায়ও অবদান রাখবে।



