কৃষক কার্ডের মাধ্যমে কৃষিখাতের আধুনিকায়ন ও কৃষক ক্ষমতায়নের লক্ষ্য: মাহদী আমিন
প্রধানমন্ত্রীর প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান বিষয়ক উপদেষ্টা মাহদী আমিন বলেছেন, পহেলা বৈশাখ টাঙ্গাইলে আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করছে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের পূর্ব ঘোষিত ঐতিহাসিক ‘কৃষক কার্ড’ কর্মসূচি। তিনি বলেন, কৃষক সমাজের সরাসরি ক্ষমতায়ন ও কৃষিখাতকে আধুনিক প্রযুক্তির সঙ্গে সম্পৃক্ত করাই এ কৃষক কার্ডের মূল লক্ষ্য।
সোমবার দুপুরে বাংলাদেশ সচিবালয়ে কৃষি ও কৃষিজাত শিল্পায়নে বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে মতবিনিময় শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে তিনি এসব কথা জানান। মাহদী আমিন বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের এই উদ্যোগ কেবল একটি কার্ড বিতরণের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়, বরং এটি কৃষিনির্ভর বাংলাদেশের অর্থনৈতিক ভিত্তি মজবুত করার শক্তিশালী মাধ্যম।
কৃষক কার্ডের বিস্তারিত পরিকল্পনা
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন জানান, সারা দেশের ১০ জেলার ১১টি উপজেলায় ২০ হাজারের অধিক কৃষককে এই কার্ড দেওয়া হবে। প্রতিটি কৃষি কার্ডের বিপরীতে কৃষকরা ২ হাজার ৫০০ টাকা করে পাবেন। এছাড়া সুলভ মূল্যে কৃষি উপকরণ বিতরণ, কৃষি বীমা, কৃষি ভর্তুকিসহ নানা সুবিধা প্রদান করা হবে।
মাহদী আমিন বলেন, আধুনিক কৃষি যন্ত্রপাতি ব্যবহারের সুবিধা এবং কৃষকদের নিয়মিত উন্নত প্রশিক্ষণের আওতায় আনা হবে। সরকারি ভর্তুকি কোনো মধ্যস্বত্বভোগী ছাড়াই সরাসরি কৃষকদের হাতে পৌঁছে দেওয়া এবং উৎপাদিত পণ্যের ন্যায্য বাজারমূল্য নিশ্চিত করাও এই উদ্যোগের অন্যতম প্রধান উদ্দেশ্য।
রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট ও সামাজিক লক্ষ্য
তিনি আরও বলেন, এই কর্মসূচি মূলত বিএনপি ঘোষিত নির্বাচনি ইশতেহার ও ৩১ দফা সংস্কার প্রস্তাবের একটি ধারাবাহিক বাস্তবায়ন, যার মাধ্যমে সামাজিক ও অর্থনৈতিকভাবে দেশের সকল স্তরের মানুষকে ক্ষমতায়ন করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। মাহদী আমিন বলেন, কৃষক কার্ডের মাধ্যমে দেশের কৃষকের ভাগ্যের পরিবর্তন হবে এবং কৃষিখাতের উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি পাবে।
এই উদ্যোগের মাধ্যমে কৃষকদের আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হবে, যা কৃষি খাতের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। মাহদী আমিন বলেন, কৃষক কার্ড কর্মসূচি বাংলাদেশের কৃষি অর্থনীতিকে আরও শক্তিশালী করতে সাহায্য করবে এবং কৃষকদের জীবনমান উন্নয়নে ভূমিকা রাখবে।



