কম সময়ে উৎপাদন সম্ভব এমন নতুন ধানের জাত উদ্ভাবন নিয়ে আলোচনা চলছে বলে জানিয়েছেন কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ। মঙ্গলবার (৫ মে) সুনামগঞ্জের বিশ্বম্ভরপুর উপজেলায় অতিবৃষ্টিতে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের জন্য আয়োজিত মানবিক সহায়তা বিতরণ অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।
কৃষিমন্ত্রীর আশাবাদ
মন্ত্রী বলেন, ‘বন্যার সময় কৃষকের ধান তলিয়ে যায়। যদি নতুন নতুন ধান উদ্ভাবনের মাধ্যমে এমন কোনো ধানের জাত পাওয়া যায় যা বর্তমানে চাষ হওয়া ধানের চেয়ে সাত দিন আগে কাটা যায়, তবে বন্যায় আর ফসল তলিয়ে যাওয়ার ঝুঁকি থাকবে না।’ তিনি আরও বলেন, এ ধরনের জাত উদ্ভাবনে সরকার ও সংশ্লিষ্ট কৃষি বিভাগ সক্রিয়ভাবে কাজ করছে, যাতে কৃষকরা প্রাকৃতিক দুর্যোগের ক্ষতি থেকে কিছুটা হলেও সুরক্ষা পান।
উদ্ভাবন প্রক্রিয়া
কৃষি বিভাগের গবেষকরা ইতিমধ্যে বিভিন্ন ধানের জাত নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালিয়ে যাচ্ছেন। লক্ষ্য হলো এমন একটি জাত তৈরি করা যা স্বল্প সময়ে ফলন দেবে এবং বন্যার আগেই কেটে ফেলা সম্ভব হবে। এর ফলে কৃষকদের ফসলহানির আশঙ্কা অনেকাংশে কমে আসবে।
কৃষকদের প্রতিক্রিয়া
অনুষ্ঠানে উপস্থিত কৃষকরা এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন। তারা বলেন, বন্যা তাদের জীবিকা ও খাদ্য নিরাপত্তায় বড় ধাক্কা দেয়। নতুন জাতের ধান যদি দ্রুত উৎপাদন সম্ভব করে, তাহলে তাদের ক্ষতি কমবে এবং তারা আরও নিশ্চিন্তে চাষাবাদ করতে পারবেন।
সুনামগঞ্জের মতো বন্যাকবলিত অঞ্চলে এই ধরনের উদ্ভাবন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কৃষিমন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন, অচিরেই এই নতুন ধানের জাত কৃষকদের হাতে পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হবে।



