বজ্র-শিলাবৃষ্টিতে হাঁড়িভাঙ্গা আমের ব্যাপক ক্ষতি, ফলন কমার আশঙ্কা
বজ্র-শিলাবৃষ্টিতে হাঁড়িভাঙ্গা আমের ব্যাপক ক্ষতি

রংপুরে বজ্র, শিলাবৃষ্টি ও কালবৈশাখী ঝড়ে জিআই পণ্যের স্বীকৃত হাঁড়িভাঙ্গা আমের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। এতে প্রায় ২০ শতাংশ আমের ফলন কম হওয়ার আশঙ্কা করছেন চাষিরা। রংপুরের হাঁড়িভাঙ্গা আমের খ্যাত মিঠাপুকুর ও পদাগঞ্জ এলাকায় ঘুরে দেখা যায়, শুক্রবার পর্যন্ত বজ্র-বৃষ্টির ঝড়ের তাণ্ডবে হাঁড়িভাঙ্গা আম বাগানে কয়েক টন আম ঝরে পড়েছে। আমের আঁটি শক্ত হয়ে আসার আগ মুহূর্তে আম ঝরে পড়ায় এ ক্ষতি হয়েছে।

শিলাবৃষ্টির প্রভাব

শিলাবৃষ্টির বর্ষণের ফলে গাছে থাকা আমও দ্রুত ঝরে পড়ার শঙ্কা করা হচ্ছে। গাছে থাকা আমের গায়ে ফাটল, দাগ ও দেখা দিয়েছে। মিঠাপুকুরের পদাগঞ্জ এলাকার আম চাষি শফিকুল বলেন, আমার এক একর বাগানে প্রায় ২৫০টি হাঁড়িভাঙ্গা আম গাছ আছে। যাতে ৪০০ মণ আমের আশা ছিল। কিন্তু বজ্র ও শিলাবৃষ্টির ঝড়ের তাণ্ডবে প্রায় এক শত মণ আম নষ্ট হয়ে গেছে। আমের আঁটি শক্ত হওয়ার আগে ঝরে পড়া আম বিক্রি করা যাচ্ছে না। বাগানে লক্ষাধিক টাকা খরচ করে দুশ্চিন্তায় পড়েছেন বলে জানান।

উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা হুমকির মুখে

রংপুর আঞ্চলিক খামার বাড়ির তথ্য অনুযায়ী, চলতি মৌসুমে ৩ হাজার হেক্টর জমিতে হাঁড়িভাঙ্গা আম থেকে প্রায় ৩০০ কোটি টাকার উৎপাদনের আশা ছিল। প্রাকৃতিক দুর্যোগে সেই লক্ষ্যমাত্রা হুমকির মুখে পড়েছে। রংপুর কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের অতিরিক্ত পরিচালক সিরাজুল ইসলাম বলেন, প্রাকৃতিকভাবে কিছু আম পড়ে গেছে। বাকি আমগুলোর আকার বড় হতে পারে। সঠিক পরিচর্যা করলে উৎপাদনে বড় প্রভাব পড়বে না।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

উল্লেখ্য, স্বাদ ও গন্ধে অনন্য হাঁড়িভাঙ্গা আম ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে জিআই পণ্যের স্বীকৃতি পায়। প্রতিবছর জুন মাসের মাঝামাঝি সময় থেকে এই আমের বাজারজাত শুরু হয়।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ