মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বুধবার বলেছেন, সরকার ও বেসরকারি উদ্যোক্তাদের সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে প্রাণিসম্পদ খাতকে আরও সমৃদ্ধ করা সম্ভব।
কর্মশালায় প্রধান অতিথি
প্রতিমন্ত্রী রাজধানীর বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল (বিএআরসি) মিলনায়তনে 'প্রাণিসম্পদ সেবা রূপান্তর (এলএসটি) প্রকল্পের সম্ভাব্যতা সমীক্ষা' শীর্ষক একটি বৈধতা কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, 'পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা এবং জনগণের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রাণিসম্পদ ও জীববৈচিত্র্যের গুরুত্ব অপরিসীম। তাই প্রাণীদের সঠিক যত্ন ও সেবা নিশ্চিত করতে হবে।'
সরকারের অগ্রাধিকার
টুকু উল্লেখ করেন, সরকার কার্যকর উদ্যোগের মাধ্যমে এই খাতের উন্নয়নকে অগ্রাধিকার দিচ্ছে। তিনি আরও বলেন, খাতটির আধুনিক ব্যবস্থাপনার জন্য সঠিক রোগ নির্ণয়, উন্নত ক্লিনিক্যাল সুবিধা এবং পর্যাপ্ত জনবল প্রয়োজন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, 'এই খাতটিকে কার্যকরভাবে পরিচালনা করতে প্রয়োজনীয় প্রকল্প গ্রহণ এবং উপযুক্ত বাজেট বরাদ্দ অপরিহার্য।'
ইতিহাসের স্মরণ
প্রাণিসম্পদ খাতের ইতিহাস স্মরণ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন। তিনি উল্লেখ করেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াও এই খাতকে অগ্রাধিকার দিয়েছিলেন এবং বর্তমানে প্রধানমন্ত্রী তারিক রহমান প্রাণিসম্পদ খাতকে আরও এগিয়ে নিতে আন্তরিকভাবে কাজ করছেন।
তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, সম্মিলিত প্রচেষ্টা ও আন্তরিকতার মাধ্যমে প্রাণিসম্পদ খাত জাতীয় অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে এবং একটি সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে সহায়তা করবে।
অন্যান্য বক্তব্য
কর্মশালায় সভাপতিত্ব করেন প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. শাহজামান খান। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. দেলোয়ার হোসেন।
সচিব প্রাণিসম্পদকে রপ্তানিমুখী খাতে রূপান্তরের ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, 'প্রকল্পের পরিধি সম্প্রসারণ ও বিনিয়োগ বৃদ্ধি অত্যন্ত জরুরি। পুষ্টি নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনে এই খাতের প্রচুর সম্ভাবনা রয়েছে।'
মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন এলএসটি প্রকল্পের টিম লিডার ড. মো. মুশফিকুর রহমান। স্বাগত বক্তব্য দেন প্রকল্প পরিচালক ড. রেজাউল হক খান। মন্ত্রণালয় ও অধিদপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন।



