ছয় বছর আগে ২৬ কোটি টাকা ব্যয়ে একটি সেচ প্রকল্প চালুর উদ্যোগ নেওয়া হলেও তা এখনও কার্যকর হয়নি। এর ফলে সেবা বঞ্চিত হয়েছেন প্রায় ৭০০ পরিবার। সম্প্রতি পানিতে ডুবে প্রাণ হারিয়েছেন এক চাচা ও তার ভাতিজা। দেশের বৃহত্তম সেচ প্রকল্প দোয়ানি তিস্তা ব্যারাজ পরিদর্শনে গিয়েছিলেন তিন মন্ত্রী।
প্রকল্পের দীর্ঘসূত্রিতা
প্রকল্পটি বাস্তবায়নে দীর্ঘসূত্রিতার কারণে স্থানীয় কৃষকরা চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন। সঠিক সময়ে সেচ সুবিধা না পাওয়ায় ফসল উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে। এতে অর্থনৈতিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন কৃষকরা।
দুর্ঘটনায় প্রাণহানি
সেচ প্রকল্পের অভাবে স্থানীয়রা খাল-বিলে পানি সংগ্রহের জন্য ঝুঁকি নিতে বাধ্য হন। সম্প্রতি এমন এক ঘটনায় চাচা ও ভাতিজার মৃত্যু হয়েছে। তারা পানি সংগ্রহ করতে গিয়ে ডুবে যান।
মন্ত্রীদের পরিদর্শন
দোয়ানি তিস্তা ব্যারাজ প্রকল্প পরিদর্শনে তিন মন্ত্রী উপস্থিত ছিলেন। তারা প্রকল্পের অগ্রগতি ও সমস্যা সম্পর্কে খোঁজখবর নেন। তবে প্রকল্প চালুতে এখনও সময় লাগবে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।
স্থানীয়দের প্রতিক্রিয়া
স্থানীয় বাসিন্দারা প্রকল্পটি দ্রুত চালুর দাবি জানিয়েছেন। তারা বলেছেন, প্রকল্প চালু হলে তাদের সেচ সুবিধা নিশ্চিত হবে এবং প্রাণহানির ঘটনা এড়ানো সম্ভব হবে।
সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বক্তব্য
প্রকল্প সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, কিছু প্রযুক্তিগত জটিলতার কারণে প্রকল্পটি বিলম্বিত হচ্ছে। তারা দ্রুত সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করছে বলে জানিয়েছে।
ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা
সরকার প্রকল্পটি দ্রুত চালু করতে কাজ করছে বলে জানিয়েছে। এ জন্য প্রয়োজনীয় বরাদ্দ ও জনবল নিশ্চিত করা হবে। আশা করা হচ্ছে, আগামী মৌসুমের আগেই প্রকল্পটি চালু হবে।



