আইএলও সম্মেলনে যোগ দিতে শ্রমমন্ত্রী ও প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টার জেনেভা যাত্রা
আইএলও সম্মেলনে যোগ দিতে শ্রমমন্ত্রী ও উপদেষ্টার জেনেভা যাত্রা

আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার সম্মেলনে বাংলাদেশের প্রতিনিধিদলের অংশগ্রহণ

আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা (আইএলও)-এর ৩৫৬তম গভর্নিং বডি সভায় অংশগ্রহণের উদ্দেশ্যে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী আজ বৃহস্পতিবার, ২৭ মার্চ তারিখে ঢাকা থেকে জেনেভার উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করেছেন। এই গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করতে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদী আমিনও একই দিনে জেনেভায় পৌঁছানোর কথা রয়েছে, যা দেশের শ্রম নীতির আন্তর্জাতিক পর্যায়ে উপস্থাপনের একটি উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

যাত্রার বিস্তারিত বিবরণ ও প্রতিনিধিদলের গঠন

সকাল বেলায় তার্কিশ এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী ঢাকা ত্যাগ করেন। তার যাত্রাপথে ইস্তাম্বুলে একটি সংক্ষিপ্ত বিরতি রয়েছে, এবং স্থানীয় সময় বিকেল ৫টা ৩০ মিনিটে জেনেভায় তার পৌঁছানোর নির্ধারিত সময়সূচি রয়েছে। বাংলাদেশের প্রতিনিধিদলের অন্যান্য সদস্যরা ইতিমধ্যেই জেনেভায় পৌঁছে গেছেন এবং সভায় সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ শুরু করেছেন। এই প্রতিনিধিদলে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আব্দুর রহমান তরফদার, অতিরিক্ত সচিব ফাহমিদা আখতার, যুগ্ম সচিব মো. আবদুছ সামাদ আল আজাদ এবং উপসচিব ইসরাত জাহান কেয়া অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন, যা একটি শক্তিশালী ও বহুমুখী দল গঠনের ইঙ্গিত দেয়।

সম্মেলনের উদ্দেশ্য ও বাংলাদেশের ভূমিকা

সফরসূচি অনুযায়ী, শ্রমমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী এবং প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদী আমিন আইএলওর মূল অধিবেশনে অংশগ্রহণের পাশাপাশি বিভিন্ন দেশের শ্রমমন্ত্রী এবং সংস্থাটির উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকেও অংশ নেবেন। এই বৈঠকগুলো বাংলাদেশের শ্রম খাতের উন্নয়ন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং আন্তর্জাতিক শ্রম মানদণ্ড বাস্তবায়নে সরকারের গৃহীত বিভিন্ন পদক্ষেপ তুলে ধরার একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ হিসেবে কাজ করবে। বাংলাদেশের প্রতিনিধিরা এই ফোরামে দেশের শ্রম নীতির অগ্রগতি এবং চ্যালেঞ্জগুলো উপস্থাপন করবেন, যা বৈশ্বিক শ্রম বাজারে দেশের অবস্থানকে আরও শক্তিশালী করতে সহায়তা করতে পারে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ
Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

এই সম্মেলনে অংশগ্রহণ বাংলাদেশের জন্য একটি কৌশলগত পদক্ষেপ, যেখানে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে শ্রম ও কর্মসংস্থান সংক্রান্ত নীতিমালা আলোচনা এবং সমন্বয় করা হয়। এটি দেশের শ্রমিকদের অধিকার ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার প্রচেষ্টাকে আরও জোরদার করতে পারে, পাশাপাশি বৈশ্বিক শ্রম বাজারে বাংলাদেশের প্রতিযোগিতামূলক অবস্থান উন্নয়নে ভূমিকা রাখবে।