১৮ মাসে এক কোটি কর্মসংস্থান ও কৃষিকার্ড প্রকল্পের ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টার
১৮ মাসে এক কোটি কর্মসংস্থান: প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টার ঘোষণা

১৮ মাসে এক কোটি কর্মসংস্থান ও কৃষিকার্ড প্রকল্পের ঘোষণা

প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনাবিষয়ক উপদেষ্টা ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর বাংলাদেশের যুবসমাজ ও কৃষকদের জন্য দুটি বড় ঘোষণা দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, ১৮ মাসের মধ্যে এক কোটি যুবকের জন্য কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা হবে। পাশাপাশি, অচিরেই ২ কোটি ২০ লাখ কৃষকের জন্য কৃষিকার্ডের প্রি-পাইলট প্রকল্প চালু করা হবে

মতবিনিময় সভায় গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য

শনিবার (১৪ মার্চ) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে রাজবাড়ীর পাংশা উপজেলা পরিষদ অডিটোরিয়ামে একটি মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। এই সভায় উপজেলায় কর্মরত সব দপ্তর প্রধান, গণমান্য ব্যক্তি ও সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন। প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর।

তিনি বলেন, "আমরা বাংলাদেশের অর্থনীতিতে নতুন মডেল আনতে চাই। তবে আজ আমরা যেখানে বসে আছি সেই পাংশা উপজেলাকে একটি মডেল উপজেলা হিসেবে গড়ে তুলতে হবে।" এই উদ্যোগের মাধ্যমে স্থানীয় উন্নয়ন ত্বরান্বিত হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

উপস্থিত বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ

পাংশা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রিফাতুল হকের সভাপতিত্বে এই সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন:

  • রাজবাড়ী-১ আসনের সংসদ সদস্য ও বাংলাদেশ সরকারের সংস্কৃতিবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম
  • রাজবাড়ীর জেলা প্রশাসক সুলতানা আক্তার
  • রাজবাড়ী-২ আসনের সংসদ সদস্য মো. হারুন-অর রশিদ
  • পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মনজুর মোরশেদ প্রমুখ

এই সভায় অংশগ্রহণকারীরা সরকারের উন্নয়ন পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা করেন এবং স্থানীয় পর্যায়ে কর্মসংস্থান ও কৃষি খাতের উন্নয়নে গুরুত্বারোপ করা হয়।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

অর্থনৈতিক মডেল ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা

ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীরের ঘোষণা অনুযায়ী, সরকার যুবসমাজের জন্য ব্যাপক কর্মসংস্থান সৃষ্টির পাশাপাশি কৃষকদের জন্য আধুনিক সুবিধা নিশ্চিত করতে কৃষিকার্ড প্রকল্প চালু করবে। এই পদক্ষেপগুলো বাংলাদেশের অর্থনীতিতে গতিশীলতা আনতে সাহায্য করবে বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন।

উল্লেখ্য, এই ঘোষণাগুলো সরকারের অর্থনৈতিক সংস্কার ও সামাজিক উন্নয়ন কর্মসূচির অংশ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। স্থানীয় পর্যায়ে মতবিনিময় সভার মাধ্যমে নীতিনির্ধারকরা সরাসরি জনগণের সঙ্গে সংযোগ স্থাপন করছেন, যা গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে শক্তিশালী করছে।