অর্থমন্ত্রী: বিএনপির ব্যাংক নেই, তাদের সুযোগও নেই
অর্থমন্ত্রী: বিএনপির ব্যাংক নেই, তাদের সুযোগ নেই

অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের ২৫তম দিনে রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর ধন্যবাদ প্রস্তাবের আলোচনায় অংশ নিয়ে রাজনৈতিক দলের ব্যাংক মালিকানা নিয়ে ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, “বিএনপির তো কোনও ব্যাংক নেই। বাংলাদেশের মানুষ জানে কাদের ব্যাংক আছে। যাদের নিজস্ব ব্যাংক আছে, তাদের দলের সদস্যদের তো ঋণখেলাপি হওয়ার সুযোগ নেই। কারণ তারা তাদের পছন্দের লোককে চেয়ারম্যান ও এমডি বানান, নিজেদের সুবিধামতো নিয়োগ দেন। এই সুযোগ বা সুবিধা তো বিএনপির নেই।”

অধিবেশনের সভাপতিত্ব

অধিবেশনের এই পর্যায়ে সভাপতিত্ব করেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বীর বিক্রম। অর্থমন্ত্রী আরও বলেন, “ঋণখেলাপি বা পুনঃতফসিলীকরণ— এটি বিএনপি আবিষ্কার করেনি। যতদিন বিশ্বে ব্যাংকিং ব্যবস্থা আছে, ততদিন এই প্রক্রিয়া ছিল এবং ভবিষ্যতেও থাকবে। কোভিডের সময় বা বিভিন্ন আন্দোলন-সংগ্রামের সময় ব্যবসায়ীরা ক্ষতিগ্রস্ত হলে বিশ্বব্যাপী ঋণ পুনঃতফসিল করা হয়। এটি একটি স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংকিং প্র্যাকটিস।”

ঋণখেলাপি ও পুনঃতফসিলীকরণ প্রসঙ্গ

ঋণখেলাপি ও ঋণ পুনঃতফসিলীকরণকে ব্যবসা ও ব্যাংকিং খাতের একটি নিয়মিত প্রক্রিয়া হিসেবে বর্ণনা করেন অর্থমন্ত্রী। তিনি বিগত সরকারের আমলে বিএনপির ব্যবসায়ীদের প্রতি বৈষম্যের অভিযোগ তুলে বলেন, “গত ১৭ বছর বিএনপির ব্যবসায়ীরা শান্তিতে ব্যবসা করতে পারেননি। তাদের ব্যাংকের স্যাংশন করা লোন পর্যন্ত দেওয়া হয়নি। ঋণের সময়সীমা শেষ হলে তা এক্সটেনশন করা হয়নি। এমনকি তাদের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের গ্যাস ও বিদ্যুতের লাইন কেটে দেওয়া হয়েছে।”

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ
Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

বিএনপি নেতাকর্মীদের প্রতি বৈষম্য

আমির খসরু বলেন, “যাদের আজ খেলাপি বলা হচ্ছে, তাদের অনেকে দীর্ঘ সময় বাড়িতে থাকতে পারেননি, পালিয়ে বেড়িয়েছেন। অনেকে বছরের পর বছর জেলের মধ্যে ছিলেন। এখন জেলে বসে ব্যাংকের ঋণ পরিশোধ করা কি এতই সহজ ব্যাপার?” মন্ত্রী আরও বলেন, “ব্যাংক-ক্লায়েন্ট রিলেশনশিপ একটি পেশাদার বিষয়। কিন্তু বিএনপির নেতাকর্মীদের ক্ষেত্রে ব্যাংকিং সেক্টরকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করে সব ধরনের বাধা সৃষ্টি করা হয়েছিল।”