বিশ্ববাজারে তেলের দামে বড় ধস দেখা দিয়েছে। গত ৩ মাসের মধ্যে এটি সর্বনিম্ন স্তরে নেমে এসেছে। এই পতনের পেছনে মূলত চাহিদা কমে যাওয়া ও সরবরাহ বাড়াকে দায়ী করা হচ্ছে।
তেলের দাম পতনের কারণ
বিশ্লেষকরা বলছেন, বৈশ্বিক অর্থনৈতিক মন্দার আশঙ্কায় জ্বালানি তেলের চাহিদা কমেছে। অন্যদিকে, ওপেক প্লাস জোটের দেশগুলো উৎপাদন বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ফলে বাজারে উদ্বৃত্ত সৃষ্টি হয়েছে এবং দাম কমেছে।
এছাড়া, মার্কিন ডলারের শক্তিশালী অবস্থানও তেলের দামে চাপ সৃষ্টি করেছে। ডলার সূচক বাড়লে অপরিশোধিত তেলের দাম সাধারণত কমে যায়।
বাংলাদেশের ওপর প্রভাব
বাংলাদেশ তেল আমদানিকারক দেশ হওয়ায় এই পতন দেশের জন্য সুখবর। জ্বালানি তেলের দাম কমলে বিদ্যুৎ উৎপাদন খরচ কমবে, যা শিল্প ও পরিবহন খাতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে। তবে ভোক্তা পর্যায়ে দাম কমানোর জন্য সরকারের সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করবে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম কমলেও দেশীয় বাজারে তার প্রতিফলন ঘটাতে সময় লাগতে পারে। তবে দীর্ঘমেয়াদে এটি অর্থনীতির জন্য সহায়ক হবে।



