বিশ্ববাজারে তেলের দাম কমলেও বাংলাদেশে বাড়ছে: জামায়াত আমিরের তীব্র সমালোচনা
বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম কমে আসলেও বাংলাদেশে ভোক্তাপর্যায়ে এর মূল্য লিটারপ্রতি ১৫ থেকে ২০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। সরকারের এই সিদ্ধান্তের তীব্র সমালোচনা করেছেন জামায়াতের আমির ও বিরোধী দলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান।
সরকারের মূল্য পুনর্নির্ধারণ
বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, রোববার (১৯ এপ্রিল ২০২৬) থেকে জ্বালানি তেলের বিক্রয়মূল্য পুনর্নির্ধারণ করা হয়েছে। এই মূল্য নির্ধারণ বিশ্ববাজারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে করা হয়েছে বলে দাবি করেছে মন্ত্রণালয়। তবে বাস্তবে দেখা গেছে, লিটারপ্রতি দাম ১৫ থেকে ২০ টাকা পর্যন্ত বৃদ্ধি পেয়েছে, যা সাধারণ মানুষের জন্য অতিরিক্ত বোঝা হয়ে দাঁড়িয়েছে।
জামায়াত আমিরের প্রতিক্রিয়া
জ্বালানির দাম বৃদ্ধির ঘোষণার পরপরই ডা. শফিকুর রহমান ফেসবুক স্ট্যাটাসে তার প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন। তিনি বলেছেন, 'বিশ্ববাজারে যখন জ্বালানি তেলের দাম কমে আসছে, তখন বাংলাদেশে দর সমন্বয়ের নামে জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। এটি খুবই দুঃখজনক।'
তার মতে, জনজীবনে মানুষ ইতিমধ্যেই জীবনযাত্রার ব্যয় নির্বাহে হাঁসফাঁস করছে। জ্বালানি তেলের মূল্য বৃদ্ধির কারণে এটি হবে 'মরার ওপর খাঁড়ার ঘা'। তিনি আরও উল্লেখ করেছেন যে, এই সিদ্ধান্ত সাধারণ মানুষের অর্থনৈতিক সংকটকে আরও গভীর করবে এবং সরকারের নীতির প্রতি প্রশ্ন তুলেছে।
দাম বৃদ্ধির প্রভাব
জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির ফলে নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে প্রভাব পড়তে পারে:
- পরিবহন খরচ বৃদ্ধি পাবে, যা পণ্যমূল্য বাড়াতে ভূমিকা রাখবে।
- শিল্প ও উৎপাদন খাতের অপারেশনাল খরচ বেড়ে যাবে।
- গৃহস্থালি ব্যয় বৃদ্ধি পেয়ে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার মান হ্রাস পেতে পারে।
এই পরিস্থিতিতে, সরকারের নীতির যৌক্তিকতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে এবং বিরোধী দলগুলোর পক্ষ থেকে আরও জোরালো প্রতিবাদ আসতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।



