বাংলাদেশ-ভারত ফ্রেন্ডশিপ পাইপলাইন: আরও ৮ হাজার টন ডিজেল আমদানি, জ্বালানি নিরাপত্তা শক্তিশালী
বাংলাদেশ-ভারত পাইপলাইন: ৮ হাজার টন ডিজেল আমদানি, জ্বালানি নিরাপত্তা শক্তিশালী

বাংলাদেশ-ভারত ফ্রেন্ডশিপ পাইপলাইনে আরও ৮ হাজার টন ডিজেল আমদানি

বাংলাদেশ-ভারত ফ্রেন্ডশিপ পাইপলাইনের মাধ্যমে ভারতের আসাম রাজ্য থেকে আরও ৮ হাজার মেট্রিক টন ডিজেল আমদানি করা হয়েছে। এই জ্বালানি দিনাজপুর জেলার পার্বতীপুর ডিপোতে সফলভাবে পৌঁছেছে, যা চলতি বছরে পাঁচ ধাপে মোট ৩০ হাজার মেট্রিক টন জ্বালানি আমদানির একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। গত ৭ এপ্রিল শুরু হওয়া ডিজেল পাম্পিং কার্যক্রম শুক্রবার (১০ এপ্রিল) রাতে সম্পন্ন হয়েছে, যেখানে পাইপলাইনের মাধ্যমে নিরবচ্ছিন্নভাবে জ্বালানি পরিবহন নিশ্চিত করা হয়েছে।

জ্বালানি আমদানির বিস্তারিত তথ্য

পার্বতীপুর রেল হেড অয়েল ডিপোর অপারেশন ম্যানেজার রবিউল আলম এই বিষয়টি নিশ্চিত করে জানিয়েছেন যে, চলতি মাসে চার ধাপে প্রায় ৪০ হাজার মেট্রিক টন ডিজেল আমদানির পরিকল্পনা রয়েছে। এর আগে, গত ২৮ মার্চ ৫ হাজার মেট্রিক টন এবং ৩১ মার্চ ৭ হাজার মেট্রিক টন ডিজেল একই পাইপলাইনের মাধ্যমে পার্বতীপুর ডিপোতে পৌঁছেছিল। এই সমস্ত আমদানি করা জ্বালানি পার্বতীপুরে সংরক্ষণ করা হবে এবং সেখান থেকে উত্তরাঞ্চলের ১৬টি জেলায় পর্যায়ক্রমে সরবরাহ করা হবে, যা আঞ্চলিক জ্বালানি চাহিদা পূরণে সহায়ক ভূমিকা পালন করবে।

পাইপলাইন চালুর সুবিধা ও ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উল্লেখ করেছেন যে, পাইপলাইন চালুর ফলে জ্বালানি পরিবহনে সময় ও খরচ উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। পাশাপাশি সরবরাহ ব্যবস্থাও আরও সহজ, দ্রুত ও নিরাপদ হয়েছে, যা জ্বালানি বিতরণ প্রক্রিয়াকে দক্ষতর করে তুলছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই পাইপলাইন প্রকল্প দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা জোরদার করার পাশাপাশি ভবিষ্যতে আমদানি ব্যবস্থাকে আরও আধুনিক ও কার্যকর করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। এটি বাংলাদেশের জ্বালানি খাতের স্থিতিশীলতা ও টেকসই উন্নয়নে একটি মাইলফলক হিসেবে কাজ করছে, যা অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে বলে আশা করা হচ্ছে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ
Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ