মীরসরাইয়ে কালবৈশাখী ঝড়ে বিদ্যুৎহীন ২০ হাজার পরিবার
মীরসরাইয়ে কালবৈশাখী ঝড়ে বিদ্যুৎহীন ২০ হাজার পরিবার

চট্টগ্রামের মীরসরাইয়ে হঠাৎ কালবৈশাখী ঝড়ে বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে অনেক গ্রাম। গাছপালা, বৈদ্যুতিক খুঁটি ভেঙে যাওয়া ও তার ছিঁড়ে যাওয়ায় অন্ধকারে প্রায় ২০ হাজার পরিবার। শনিবার (২ মে) দুপুর বেলা ২টা থেকে উপজেলাজুড়ে হঠাৎ কালবৈশাখী ঝড় শুরু হয়। রাত ১১টায়ও বিদ্যুৎ আসেনি।

সরেজমিনে দেখা গেছে, ঝড় শুরু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। এতে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে গ্রাহকদের। বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক করতে মাঠে কাজ করছেন পল্লী বিদ্যুতের কর্মীরা।

উপজেলার জোরারগঞ্জ ইউনিয়নের সোনাপাহাড় এলাকার সাখাওয়াত সাকিব বলেন, শনিবার দুপুর থেকে গ্রামে বিদ্যুৎ নেই। রাত ১১টায়ও বিদ্যুৎ আসেনি। পল্লী বিদ্যুৎ অফিসে ফোন করলেও বিদ্যুৎ কখন আসবে তার সঠিক তথ্য তারা জানাতে পারেনি।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

মীরসরাই পৌর সদরের ফারিয়া হোটেলের স্বত্বাধিকারী মোহাম্মদ ফারুক বলেন, শনিবার সকাল থেকে গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি শুরু হয়। দুপুর ২টা হঠাৎ ঝোড়ো বাতাসে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়। হোটেলে রাতের মতো অন্ধকার হয়ে যায়। মোমবাতি জ্বালিয়ে কাস্টমারদের সার্ভিস দিতে হচ্ছে।

উপজেলার গাছবাড়িয়া এলাকার বাসিন্দা নুর হোসেন মামুন বলেন, দুপুরে বিদ্যুৎ চলে যাওয়ার পর এখনও আসেনি। প্রায় ৯ ঘণ্টা হয়ে গেছে। আমার ছেলে এসএসসি পরীক্ষা দিচ্ছে। বিদ্যুৎ অফিসে ফোন দিলে তারা জানান- কাজ চলছে, সময় লাগবে।

উপজেলার বিষুমিয়ারহাট এলাকার বাসিন্দা সাইদুল ইসলাম বলেন, এমনিতে গত কয়েকদিন লোডশেডিং চলছে। তার মধ্যে আজ সারাদিন বিদ্যুৎ নেই। কখন আসে তারও ঠিক নেই।

চট্টগ্রাম পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-৩ এর বারইয়ারহাট অফিসের ডিজিএম হেদায়েত উল্লাহ বলেন, গাছের ডাল ভেঙে লাইনে পড়ে অনেক জায়গায় খুঁটি ভেঙে গিয়েছে এবং তার ছিঁড়ে গেছে। ফলে বিভিন্ন এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ রয়েছে। এতে প্রায় ২০ হাজার পরিবার বিদ্যুৎ সংযোগবিহীন রয়েছে। গাছের ডাল পরিষ্কার করে দ্রুত সময়ের বিদ্যুৎ চালু করা হবে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ