ইরান যুদ্ধের জেরে সারাবিশ্বেই দেখা দিয়েছে জ্বালানি তেলের সংকট, যা থেকে বাদ পড়েনি বাংলাদেশও। জ্বালানি তেলের জন্য দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হয়েছে যানবাহন চালকদের। এই সংকট কাটাতে রেশনিং ব্যবস্থার উদ্যোগ নিয়েছিল সরকার, যা পরবর্তীতে বাতিল করা হয়। বর্তমানে তেলের দীর্ঘ লাইন কমলেও সংকট পুরোপুরিভাবে কাটেনি।
ফুয়েল পাস সিস্টেম চালু
ফিলিং স্টেশনে মোটরসাইকেল এবং প্রাইভেট গাড়িতে সুশৃঙ্খল ও স্বচ্ছভাবে জ্বালানি তেল বিতরণে ফুয়েল পাস সিস্টেমের প্রচলন চালু করে জ্বালানি ও খনিজসম্পদ বিভাগ। প্রথম দিকে স্বল্প সংখ্যক পাম্প এই সিস্টেমের আওতায় আনা হলেও দিনকে দিন এই সংখ্যা বাড়ছে। বর্তমানে ঢাকার ১১টি ফিলিং স্টেশনে জ্বালানি নিতে ফুয়েল পাস বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। আগামীকাল মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) থেকে এসব ফিলিং স্টেশন থেকে তেল নিতে বাধ্যতামূলক ফুয়েল পাস লাগবে।
নির্ধারিত পাম্পসমূহ
সরকারের নির্ধারিত পাম্পগুলো হলো—
- করিম অ্যান্ড সন্স
- ইউরেকা এন্টারপ্রাইজ ফিলিং স্টেশন
- মাসুদ হাসান ফিলিং স্টেশন
- মেসার্স সততা অ্যান্ড কোম্পানি
- মেসার্স দিগন্ত ফিলিং স্টেশন
- মেসার্স কামাল ট্রেডিং এজেন্সি
- মেসার্স কামাল ট্রেডিং এজেন্সি
- মেসার্স এস.পি ফিলিং স্টেশন লিমিটেড
- সিটি ফিলিং স্টেশন
- সেবা গ্রিন ফিলিং স্টেশন
- সুমাত্রা ফিলিং স্টেশন
কিভাবে ফুয়েল পাস ব্যবহার করবেন
জ্বালানি বিভাগ বলছে, ফুয়েল পাস ব্যবহারকারীরা ওয়েবসাইটে রেজিস্ট্রেশন করে কিউআর কোড সংগ্রহ করতে পারবেন। আইফোন ব্যবহারকারীরা স্ক্রিনশট বা প্রিন্ট কপি সংরক্ষণ করতে পারবেন। অ্যান্ড্রয়েড ফোন না থাকলেও প্রিন্ট করা কিউআর কোড ব্যবহার করে জ্বালানি নেওয়া যাবে।



