জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় প্রধানমন্ত্রীর কাছে নবায়নযোগ্য জ্বালানি বাড়ানোর আহ্বান
জ্বালানি সংকটে প্রধানমন্ত্রীর কাছে নবায়নযোগ্য জ্বালানি আহ্বান

জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় প্রধানমন্ত্রীর কাছে নবায়নযোগ্য জ্বালানি বাড়ানোর জরুরি আহ্বান

বর্তমান জ্বালানি সংকট মোকাবিলা ও উত্তরণে নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার দ্রুত বাড়ানোর জরুরি আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে খোলা চিঠি দিয়েছেন বাংলাদেশ সাসটেইনেবল অ্যান্ড রিনিউয়েবল এনার্জি অ্যাসোসিয়েশনের (বিএনআরইএ) সভাপতি মোস্তফা আল মাহমুদ। বুধবার (২২ এপ্রিল) রাতে গণমাধ্যমে পাঠানো এই চিঠিতে বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের প্রভাবে বাংলাদেশে বিদ্যুৎ, কৃষি, শিল্প ও পরিবহন খাতে সৃষ্ট অস্থিরতা কমানোর জন্য সৌর বিদ্যুৎকে বিকল্প হিসেবে গুরুত্ব দেওয়ার সুপারিশ করা হয়েছে।

জীবাশ্ম জ্বালানির উচ্চ ব্যয় ও বৈদেশিক মুদ্রা নির্ভরতা হ্রাসের আহ্বান

চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, ফার্নেস অয়েল-ভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদনের উচ্চ ব্যয়ের তুলনায় সৌর বিদ্যুৎ কম খরচে ও দীর্ঘমেয়াদে টেকসই সমাধান হিসেবে কাজ করতে পারে। এতে জীবাশ্ম জ্বালানিভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদনের উচ্চ ব্যয় এবং বৈদেশিক মুদ্রা নির্ভরতা কমাতে নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে বিনিয়োগ বাড়ানোর ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। মোস্তফা আল মাহমুদ তার বক্তব্যে দ্রুত নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে বিনিয়োগ বাড়ানোর গুরুত্ব তুলে ধরেছেন, যা অর্থনীতির স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে সহায়ক হবে।

প্রস্তাবিত দাবিসমূহ ও কার্যকর পদক্ষেপের আহ্বান

বিএনআরইএ-এর পক্ষ থেকে প্রস্তাবিত দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে:

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ
Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ
  • সৌর বিদ্যুৎ ও ব্যাটারি স্টোরেজ সরঞ্জামে শূন্য শুল্ক সুবিধা প্রদান
  • সহজ শর্তে অর্থায়ন ব্যবস্থা চালু করা
  • সোলার প্যানেল আমদানিতে শুল্ক সহনীয় পর্যায়ে রাখা
  • দ্রুত গ্রিড সংযোগ ও পাওয়ার পারচেজ এগ্রিমেন্ট (পিপিএ) নিশ্চিত করা
  • উইন্ড এনার্জি ও ভাসমান সোলার প্রকল্পের সম্ভাবনা যাচাই করা
  • সোলার সেচ পাম্প ও বড় আকারের সোলার প্রকল্প বাস্তবায়ন করা

চিঠিতে আরও বলা হয়েছে, ২০৩০ সালের মধ্যে ১০ হাজার মেগাওয়াট সৌর বিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্য বাস্তবায়নে এখনই কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া অত্যন্ত জরুরি। এই পদক্ষেপ জ্বালানি সংকট থেকে উত্তরণ ও অর্থনীতির স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা

নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতের উন্নয়ন শুধু জ্বালানি সংকট মোকাবিলায়ই নয়, বরং দীর্ঘমেয়াদে অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা ও পরিবেশগত সুবিধা নিশ্চিত করবে। মোস্তফা আল মাহমুদ তার চিঠিতে জোর দিয়ে বলেছেন, সৌর বিদ্যুৎ ও অন্যান্য নবায়নযোগ্য উৎসে বিনিয়োগ বাড়ানো হলে বিদ্যুৎ খাতের ব্যয় কমানো সম্ভব হবে এবং বৈদেশিক মুদ্রার চাপ কমবে। এই উদ্যোগ বাংলাদেশের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য অর্জনে সহায়ক হবে বলে আশা প্রকাশ করা হয়েছে।