বিদ্যুতের দাম বাড়ানো হবে কি না, সে বিষয়ে আগামীকাল বুধবার সিদ্ধান্ত জানাবে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। মূল্যবৃদ্ধি নিয়ে গণশুনানি শেষ হওয়ার মাত্র পাঁচ দিনের মাথায় কমিশন আদেশ দেওয়ার দিন নির্ধারণ করেছে। সংশ্লিষ্টদের ধারণা, পাইকারি, খুচরা ও সঞ্চালন- তিন পর্যায়েই বিদ্যুতের দাম বাড়তে পারে।
গণশুনানি ও আদেশের সময়সীমা
বিইআরসি জানিয়েছে, গত ২০ ও ২১ মে অনুষ্ঠিত গণশুনানির ওপর ভিত্তি করে বুধবার বিকেলে আদেশ দেওয়া হবে। এর আগে বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (পিডিবি) পাইকারি পর্যায়ে প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের দাম ১ টাকা ২০ পয়সা থেকে ১ টাকা ৫০ পয়সা পর্যন্ত বাড়ানোর প্রস্তাব দেয়, যা বর্তমান দামের তুলনায় ১৭ থেকে ২১ শতাংশ বেশি।
জ্বালানি খরচ বৃদ্ধির প্রভাব
চলতি মাসের শুরুতে সরকার পেট্রল, অকটেন ও কেরোসিনের দাম লিটারপ্রতি ৫ টাকা বাড়িয়েছে। এছাড়া গত মাসে বিদ্যুৎকেন্দ্রে ব্যবহৃত ফার্নেস তেলের দাম লিটারপ্রতি ১৯ টাকা বাড়িয়ে ১১৩ টাকা নির্ধারণ করা হয়। এমন পরিস্থিতিতে বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর উদ্যোগ নিয়ে ভোক্তাদের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।
সর্বশেষ মূল্য সমন্বয়
সর্বশেষ ২০২৪ সালের ২৯ ফেব্রুয়ারি নির্বাহী আদেশে পাইকারি বিদ্যুতের গড় দাম ইউনিটপ্রতি ৬ টাকা ৭০ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ৭ টাকা ৪ পয়সা করা হয়েছিল।
বিতরণকারী সংস্থাগুলোর প্রস্তাব
লোকসানের কথা উল্লেখ করে বিদ্যুৎ বিতরণকারী সংস্থাগুলোও দাম বাড়ানোর আবেদন করেছে। ডেসকো ৯ দশমিক ৬৭ শতাংশ, ডিপিডিসি ৬ দশমিক ৯৬ শতাংশ, ওজোপাডিকো ১০ শতাংশ, আরইবি ৫ দশমিক ৯৩ শতাংশ এবং নেসকো ও বিপিডিবি ইউনিটপ্রতি নির্দিষ্ট অঙ্ক বাড়ানোর প্রস্তাব দিয়েছে। অন্যদিকে, দেশের একমাত্র সঞ্চালন প্রতিষ্ঠান পিজিসিবি সঞ্চালন চার্জ ইউনিটপ্রতি ৩০-৩১ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ৪৮-৪৯ পয়সা করার প্রস্তাব দিয়েছে।



