রাজধানীর পেট্রোল পাম্পগুলোর সামনে আবারও লম্বা লাইন দেখা দিয়েছে। জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে অনিশ্চয়তার কারণে ব্যক্তিগত গাড়ি, মোটরসাইকেল ও গণপরিবহন চালকদের মধ্যে উদ্বেগ বেড়েছে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, সরবরাহ ব্যবস্থাপনা ও বরাদ্দ প্রক্রিয়ায় জটিলতার কারণে এই disruption তৈরি হয়েছে।
শুক্রবার ও শনিবার দীর্ঘ লাইন
শুক্রবার ও শনিবার রাজধানীর একাধিক পেট্রোল পাম্পে গাড়ির লম্বা লাইন দেখা যায়। চালকরা জ্বালানির জন্য ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করেন। সংশ্লিষ্ট পক্ষ সতর্ক করে বলেছে, যদি দ্রুত এই সমস্যার সমাধান না করা হয়, তাহলে আসন্ন ঈদের ছুটির পর জনদুর্ভোগ আরও বাড়তে পারে।
সরবরাহ প্রক্রিয়ায় জটিলতা
সূত্র জানিয়েছে, ইরান সংকটের সময় জ্বালানি সরবরাহে অস্থিরতার পর থেকে কর্তৃপক্ষ অধিক সতর্কতার সাথে distribution পরিচালনা করছে। বর্তমানে ডিপো থেকে প্রতিটি পেট্রোল পাম্পের জন্য নির্দিষ্ট কোটা বরাদ্দ করা হয়, এরপর পাম্প মালিকদের ব্যাংক পে অর্ডারের মাধ্যমে payment সম্পন্ন করে জ্বালানি সংগ্রহ করতে হয়।
পেট্রোল পাম্প মালিকরা অভিযোগ করেছেন, বরাদ্দের নোটিশ পেতে দেরি হওয়ায় পুরো প্রক্রিয়াটি ধীরগতির হয়ে যাচ্ছে, যা নিয়মিত সরবরাহ ব্যাহত করছে। শনিবার সকালের মধ্যে রাজধানীর কয়েকটি পাম্পে জ্বালানি মজুদ শেষ হয়ে যায়।
ঈদের ছুটিতে ব্যাংক বন্ধ
জানা গেছে, ঈদের ছুটির সময়সূচির কারণে শনিবার ব্যাংক খোলা ছিল। ফলে ডিপো কর্তৃপক্ষ দুই দিনের অগ্রিম বরাদ্দ না দিয়ে শনিবার সকালে বরাদ্দ দেয়। বরাদ্দ পাওয়ার পর ব্যাংকিং প্রক্রিয়া শেষ হতে দিনের বেশিরভাগ সময় লেগে যায়, যা ডিপো থেকে জ্বালানি পাঠাতে আরও delay করে।
পেট্রোল পাম্প মালিক সমিতির একটি অংশের সাধারণ সম্পাদক নাজমুল হক জানান, শনিবার ব্যাংক খোলা থাকায় বৃহস্পতিবার ডিপো থেকে অগ্রিম বরাদ্দ দেওয়া হয়নি। তিনি আরও বলেন, সকালে বরাদ্দ পাওয়ার পর দুপুর পর্যন্ত ব্যাংকিং প্রক্রিয়া শেষ হয়েছে, আর ডিপো থেকে জ্বালানি ট্যাংকার ছাড়তে আরও সময় লেগেছে।
তিনি আরও জানান, এই সমস্যার কারণে তার নিজের পেট্রোল পাম্পেও সাময়িকভাবে জ্বালানি সরবরাহ ব্যাহত হয়। তিনি বলেন, ঈদের সময় ব্যাংক পাঁচ দিন বন্ধ থাকবে, এবং যদি একই পদ্ধতিতে জ্বালানি সরবরাহ করা হয়, তাহলে জনদুর্ভোগ significantly বাড়তে পারে।



