বিশ্বব্যাংকের সর্বশেষ পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, চলতি ২০২৪-২৫ অর্থবছরে বাংলাদেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধি ৭ দশমিক ২ শতাংশে নেমে আসতে পারে। গত অর্থবছরে এই হার ছিল ৭ দশমিক ৬ শতাংশ।
প্রবৃদ্ধি হ্রাসের কারণ
বিশ্বব্যাংকের বাংলাদেশ কান্ট্রি অফিসের প্রধান অর্থনীতিবিদ ড. জাহিদ হোসেন জানিয়েছেন, মূল্যস্ফীতি ও রপ্তানি আয়ের ওপর চাপের কারণে প্রবৃদ্ধি হ্রাস পাচ্ছে। তিনি বলেন, 'বিশ্ব অর্থনীতির মন্দা ও অভ্যন্তরীণ চাপের কারণে বাংলাদেশের অর্থনীতি কিছুটা ধীরগতির সম্মুখীন হচ্ছে।'
মূল্যস্ফীতির প্রভাব
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চলতি অর্থবছরে গড় মূল্যস্ফীতি ৬ দশমিক ৫ শতাংশ থাকতে পারে। খাদ্য মূল্যস্ফীতি বেশি থাকায় নিম্নআয়ের মানুষের ওপর চাপ পড়ছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কঠোর মুদ্রানীতি সত্ত্বেও মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে চ্যালেঞ্জ রয়েছে।
রপ্তানি ও রেমিট্যান্স
রপ্তানি আয়ের প্রবৃদ্ধি ৫ দশমিক ৮ শতাংশে নেমে আসতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। অন্যদিকে রেমিট্যান্স প্রবাহ কিছুটা বেড়ে ২৪ বিলিয়ন ডলার হতে পারে। বিশ্বব্যাংকের মতে, রপ্তানি খাতের বৈচিত্র্যকরণ ও বিনিয়োগ বৃদ্ধির মাধ্যমে প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত করা সম্ভব।
সরকারের নীতিগত পদক্ষেপ
সরকার ইতিমধ্যে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে নানা পদক্ষেপ নিয়েছে। তবে বিশ্বব্যাংকের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দীর্ঘমেয়াদী সমাধানের জন্য কাঠামোগত সংস্কার প্রয়োজন। বিশেষ করে জ্বালানি খাত ও ব্যাংকিং খাতের সংস্কার জরুরি।



