রমজানে দরিদ্রদের জন্য সাওয়াবের ইফতার গৃহ উদ্যোগ, প্রতিদিন ২০০ প্যাকেট বিতরণ
সাওয়াবের ইফতার গৃহ: রমজানে দরিদ্রদের জন্য খাবার বিতরণ

রমজানে দরিদ্র ও কর্মজীবী মানুষের জন্য সাওয়াবের ইফতার গৃহ উদ্যোগ

বাংলাদেশের সোশ্যাল এজেন্সি ফর ওয়েলফেয়ার অ্যান্ড অ্যাডভান্সমেন্ট (সাওয়াব) পবিত্র রমজান মাসে ঢাকার নিম্ন আয়ের ও কর্মজীবী মানুষের মধ্যে ইফতার খাবার বিতরণের জন্য 'ইফতার গৃহ' শীর্ষক একটি উদ্যোগ চালু করেছে। এই কর্মসূচিটি রাজধানীর লালমাটিয়ায় সংস্থার কার্যালয়ের সামনে পরিচালিত হচ্ছে।

প্রতিদিন বিশেষ ইফতার প্যাকেট বিতরণ

এই উদ্যোগের অধীনে, ইফতারের প্রায় এক ঘণ্টা আগে থেকে প্রতিদিন বিশেষ ইফতার প্যাকেট বিতরণ করা শুরু হয়। সাওয়াবের তথ্য অনুযায়ী, রোজাদার ব্যক্তিদের জন্য পুষ্টিকর খাবার নিশ্চিত করতে এই প্যাকেটগুলো চিকেন পোলাও, খেজুর ও পানীয় জলসহ বিভিন্ন উপাদান দিয়ে প্রস্তুত করা হয়।

সাওয়াবের চেয়ারম্যান এসএম রাশেদুজ্জামান বিতরণ কর্মসূচিতে মিডিয়াকে জানান, ২০১৫ সাল থেকে সংস্থাটি দেশব্যাপী সুবিধাবঞ্চিত সম্প্রদায়কে সহায়তা করার জন্য কাজ করে আসছে। তিনি বলেন, পূর্ববর্তী বছরগুলোতে স্থানীয় সম্প্রদায়ের চাহিদার ভিত্তিতে সাওয়াব বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ইফতার বিতরণ কর্মসূচি আয়োজন করেছে।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

ইতিবাচক সাড়ায় কর্মসূচির সম্প্রসারণ

এই উদ্যোগের প্রতি ইতিবাচক প্রতিক্রিয়ার কারণে, সংস্থাটি এবছর কর্মসূচিটি সম্প্রসারণ করেছে এবং দেশের অন্যান্য অংশের পাশাপাশি তার প্রধান কার্যালয়ের সামনেও বিতরণ অন্তর্ভুক্ত করেছে। রাশেদুজ্জামান বলেন, ভবিষ্যতে এই ধরনের কল্যাণমূলক উদ্যোগ আরও সম্প্রসারণের পরিকল্পনা রয়েছে সংস্থার।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

ইফতার প্যাকেট বিতরণের সময় সাওয়াবের জেনারেল ম্যানেজার লুকমান হোসেন, আইটি ও মিডিয়া ম্যানেজার খোরশেদ আলম এবং অন্যান্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। সংস্থার মতে, লালমাটিয়ার 'ইফতার গৃহ' থেকে প্রতিদিন ২০০টির বেশি ইফতার প্যাকেট বিতরণ করা হচ্ছে, যার সংখ্যা চাহিদার ভিত্তিতে বাড়ানো হয়েছে। সাওয়াব পুরো রমজান মাসে ১০,০০০টির বেশি ইফতার প্যাকেট বিতরণের পরিকল্পনা করেছে।

রমজানের প্রথম দিন থেকে বিতরণ চলছে

বিতরণ কর্মসূচি রমজানের প্রথম দিন থেকে শুরু হয়েছে এবং মাসের ২৭তম দিন পর্যন্ত চলবে। এই উদ্যোগের মাধ্যমে ঢাকার দরিদ্র ও কর্মজীবী মানুষদের জন্য পুষ্টিকর ইফতার সরবরাহ নিশ্চিত করা হচ্ছে, যা রমজানের পবিত্রতা ও সম্প্রীতির বার্তা ছড়িয়ে দিচ্ছে।