ফোর্বসের তালিকায় রেকর্ড: ৩০ বছরের কম বয়সী ৩৫ জন শতকোটিপতি
বড় বিনিয়োগ, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) নিয়ে উন্মাদনা এবং উত্তরাধিকারসূত্রে প্রাপ্ত সম্পদ—এই সবকিছু মিলিয়ে গত এক বছরে অল্প বয়সে শতকোটিপতি বা বিলিয়নিয়ার হওয়া কিছুটা সহজ হয়েছে বলে মনে হচ্ছে। ফোর্বস ম্যাগাজিনের ২০২৬ সালের ‘বিলিয়নিয়ার’ বা শতকোটিপতি তালিকায় ৩০ বছরের কম বয়সী মানুষের সংখ্যা রেকর্ড স্পর্শ করেছে।
তালিকার বিশ্লেষণ: সংখ্যা ও প্রবণতা
তালিকায় ৩০ বছরের কম বয়সী শতকোটিপতির সংখ্যা মোট ৩৫ জনে দাঁড়িয়েছে। যদিও বিশ্বজুড়ে ৩ হাজার ৪২৮ জন শতকোটিপতির মধ্যে তাঁরা মাত্র ১ শতাংশ প্রতিনিধিত্ব করছেন, তবে ২০২৫ সালের তুলনায় এই হার শূন্য দশমিক ৪ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।
ওষুধের দোকান ও প্লাম্বিং সরঞ্জাম থেকে শুরু করে শেয়ারবাজারের পূর্বাভাস এবং এআই-ভিত্তিক কোডিং—বিভিন্ন খাতে ব্যবসা করে তাঁরা এই বিপুল সম্পদের মালিক হয়েছেন। দেখা যাচ্ছে, অধিকাংশই উত্তরাধিকারসূত্রে সম্পদ পেয়েছেন, কিন্তু রেকর্ডসংখ্যক ১২ জন নিজের চেষ্টা ও উদ্যোগে এ অবস্থানে পৌঁছেছেন।
নতুন মুখ: এআই স্টার্টআপের তরুণ প্রতিষ্ঠাতা
বিশ্বের সবচেয়ে কম বয়সী আত্মপ্রতিষ্ঠিত শতকোটিপতিরা এবার নতুন করে বা প্রথমবারের মতো তালিকায় স্থান পেয়েছেন। এআইভিত্তিক স্টার্টআপ মেরকরের প্রতিষ্ঠাতা ত্রয়ী—সূর্য মিধা, ব্রেন্ডান ফুডি এবং আদর্শ হিরেমাথ, প্রত্যেকের বয়স মাত্র ২২ বছর এবং প্রত্যেকের সম্পদ ২২০ কোটি ডলার। অর্থাৎ, জীবনের প্রতিটি বছরের জন্য গড়ে ১০ কোটি ডলার সম্পদ অর্জন করেছেন তাঁরা।
শীর্ষ তরুণ শতকোটিপতিদের তালিকা
দেখে নেওয়া যাক, বিশ্বের শীর্ষ ৩৫ জন অনূর্ধ্ব–৩০ বছর বয়সী শতকোটিপতির মধ্যে সবচেয়ে কম বয়সী কারা। চলতি মাসের ১ তারিখের ভিত্তিতে এই সম্পদের হিসাব করা হয়েছে। এই তালিকায় এআই প্রযুক্তি, উত্তরাধিকার এবং উদ্ভাবনী ব্যবসায়িক মডেলের প্রভাব স্পষ্টভাবে লক্ষণীয়।
এই প্রবণতা ইঙ্গিত দিচ্ছে যে, প্রযুক্তি খাত, বিশেষ করে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, তরুণ উদ্যোক্তাদের জন্য নতুন সুযোগ সৃষ্টি করছে। পাশাপাশি, ঐতিহ্যবাহী উত্তরাধিকারও এখনো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।



