ঈদের আগে বড় স্বস্তি: তৈরি পোশাকশিল্পের বকেয়া সহায়তায় ২৫০০ কোটি টাকা ছাড়
তৈরি পোশাকশিল্পের বকেয়া সহায়তায় ২৫০০ কোটি টাকা ছাড়

তৈরি পোশাকশিল্পের বকেয়া সহায়তায় ২৫০০ কোটি টাকা ছাড়: ঈদের আগে বড় স্বস্তি

অর্থ মন্ত্রণালয় রফতানিমুখী তৈরি পোশাকশিল্পসহ সংশ্লিষ্ট খাতগুলোর বকেয়া নগদ সহায়তার বিপরীতে ২ হাজার ৫০০ কোটি টাকা ছাড় দিয়েছে। আসন্ন পবিত্র ঈদুল ফিতরের আগে শ্রমিক-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা ও উৎসব বোনাস পরিশোধের চাপের মুখে থাকা উদ্যোক্তাদের জন্য সরকারের এ সিদ্ধান্তকে বড় স্বস্তি হিসেবে দেখা হচ্ছে।

বিজিএমইএর স্বাগত ও সরকারের পদক্ষেপ

বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রফতানিকারক সমিতি (বিজিএমইএ) সরকারের এ পদক্ষেপকে স্বাগত জানিয়েছে। সংগঠনের সভাপতি মাহমুদ হাসান খান একটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলেন, “ঈদের আগে যখন মালিকদের ওপর শ্রমিকদের বেতন-ভাতা, বোনাস, বিদ্যুৎ ও গ্যাস বিল পরিশোধের বাড়তি চাপ তৈরি হয়েছে, ঠিক সেই সময়ে এ অর্থ ছাড় শিল্পখাতের জন্য গুরুত্বপূর্ণ সহায়ক ভূমিকা রাখবে।”

বিজিএমইএ জানায়, আটকে থাকা নগদ সহায়তার অর্থ ছাড়ের দাবিতে সংগঠনের বর্তমান বোর্ড সাম্প্রতিক সময়ে সরকারের উচ্চপর্যায়, অর্থ মন্ত্রণালয় ও বাংলাদেশ ব্যাংকের সঙ্গে একাধিক বৈঠক ও আলোচনা করেছে। এরই ধারাবাহিকতায় দ্রুত সময়ের মধ্যে ২ হাজার ৫০০ কোটি টাকার এ তহবিল অনুমোদন করা হয়েছে।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

অর্থ ছাড়ের প্রক্রিয়া ও বিতরণ

অর্থ মন্ত্রণালয়ের জারি করা প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, ২০২৫-২৬ অর্থবছরের তৃতীয় কিস্তির প্রথম ধাপে ১ হাজার ৫০০ কোটি টাকা এবং দ্বিতীয় ধাপে ১ হাজার কোটি টাকা ছাড় করা হবে। দুই ধাপে মোট ২ হাজার ৫০০ কোটি টাকা বিতরণ করা হবে।

সংগঠনটি তাদের সদস্য প্রতিষ্ঠানগুলোকে বকেয়া অর্থ প্রাপ্তির জন্য নিজ নিজ লিয়েন ব্যাংকের সঙ্গে দ্রুত যোগাযোগ করে প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার আহ্বান জানিয়েছে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

শিল্পখাতের প্রেক্ষাপট ও প্রভাব

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বৈশ্বিক বাজারে চাহিদা সংকোচন, রফতানি আদেশে অনিশ্চয়তা এবং উৎপাদন ব্যয় বৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে নগদ সহায়তার এ অর্থ শিল্পখাতের তারল্য সংকট কিছুটা লাঘব করবে। এছাড়া, ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে শ্রমিকদের বেতন-ভাতা ও বোনাস পরিশোধে এটি গুরুত্বপূর্ণ সহায়তা প্রদান করবে।

এ পদক্ষেপটি শিল্পখাতের স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে এবং ঈদের উৎসবকে সামনে রেখে সামগ্রিক অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে বলে আশা করা হচ্ছে।