প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বৃহস্পতিবার বলেছেন, শ্রমিকদের জীবনমান উন্নয়ন, তাদের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিতকরণ, নিরাপদ কর্মপরিবেশ সৃষ্টি এবং সামাজিক মর্যাদা রক্ষা বর্তমান গণতান্ত্রিক সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার।
মে দিবস ও জাতীয় পেশাগত স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা দিবসের শুভেচ্ছা
"মে দিবস এবং জাতীয় পেশাগত স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা দিবস ২০২৬ উপলক্ষে আমি দেশে ও বিদেশের সকল শ্রমজীবী মানুষকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানাচ্ছি," তিনি যোগ করেন।
শ্রমিকরা উন্নয়নের মূল চালিকাশক্তি
"যে কোনো দেশের উন্নয়ন, সমৃদ্ধি ও অগ্রগতির মূল চালিকাশক্তি হল শ্রমজীবী মানুষ," শুক্রবার পালিতব্য মহান মে দিবস ও জাতীয় পেশাগত স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা দিবস-২০২৬ উপলক্ষে এক বাণীতে প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন।
তিনি বলেন, শ্রমিকদের অক্লান্ত পরিশ্রমের মাধ্যমেই গড়ে ওঠে শিল্প, কৃষি, অবকাঠামো ও শক্তিশালী অর্থনীতি।
এ বছরের প্রতিপাদ্য
এ বছরের মে দিবস ও আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবসের প্রতিপাদ্য হলো ‘সুস্থ শ্রমিক, কর্মঠ হাত, আসবে এবার নব প্রভাত’ বা ‘হেলদি ওয়ার্কার্স, প্রোডাক্টিভ হ্যান্ডস, আ নিউ ডন অ্যাওয়েটস’।
প্রতিপাদ্যের অন্তর্নিহিত চেতনাকে ধারণ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও মহান মে দিবস পালিত হচ্ছে।
দেশি-বিদেশি শ্রমিকদের প্রতি শুভেচ্ছা
এদিন প্রধানমন্ত্রী দেশে ও বিদেশে অবস্থানরত সকল বাংলাদেশি শ্রমিককে আন্তরিক শুভেচ্ছা জানান, যারা তাদের জীবিকা নির্বাহ এবং সর্বোপরি দেশের উন্নয়নের জন্য নিজ নিজ পেশায় নিযুক্ত আছেন।
তিনি ১৮৮৬ সালের মে মাসে যুক্তরাষ্ট্রের শিকাগোর হেমার্কেটে আটঘণ্টা কাজ ও ন্যায্য অধিকারের দাবিতে আন্দোলনকালে যারা প্রাণত্যাগ করেছিলেন, তাদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান। সেইসঙ্গে বিশ্বের সকল শ্রমিক যারা তাদের অধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে শহীদ বা আহত হয়েছেন, তাদের প্রতিও শ্রদ্ধা জানান।
শ্রমিকবান্ধব নীতির প্রত্যাশা
তারেক রহমান বিশ্বাস করেন, শ্রমিকবান্ধব নীতি, কর্মসংস্থানের সম্প্রসারণ ও কল্যাণমুখী উদ্যোগের মাধ্যমে শ্রমিকদের জীবনে ইতিবাচক পরিবর্তন আনা সম্ভব।



