ঈদুল আজহা উপলক্ষে দেশের পাঁচটি সিটি করপোরেশনের নির্ধারিত কুরবানির হাট এলাকায় ঈদের আগের দিন পর্যন্ত সকাল ১০টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত ব্যাংক খোলা রাখার নির্দেশনা দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। রোববার তফশিলি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তাদের পাঠানো এক চিঠিতে এ তথ্য জানানো হয়।
কোন কোন এলাকায় ব্যাংক খোলা থাকবে?
ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন, চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন, খুলনা সিটি করপোরেশন, রাজশাহী সিটি করপোরেশন ও রংপুর সিটি করপোরেশনের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত কুরবানির পশুর হাটগুলোতে এই বিশেষ ব্যাংকিং সেবা দেওয়া হবে। এসব হাটে বিপুল সংখ্যক ক্রেতা ও ব্যবসায়ীর সমাগম হয় এবং নগদ অর্থের লেনদেন হয়। তাই লেনদেনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেই এই উদ্যোগ।
ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের হাটগুলো
- বনরূপা আবাসিক প্রকল্পের খালি জায়গা
- মিরপুর সেকশন-৬, ওয়ার্ড নম্বর-৬ (ইস্টার্ন হাউজিং)
- মিরপুর কালশী বালুর মাঠ (১৬ বিঘা)
- ঢাকা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট সংলগ্ন এলাকা
- বাড্ডা থানাধীন স্বদেশ প্রপার্টির জায়গা
- ২৩ নং ওয়ার্ডের পূর্ব হাজীপাড়া, ইকরা মাদ্রাসার পাশে
- উত্তরা দিয়াবাড়ি ১৬ ও ১৮ নং সেক্টরসংলগ্ন বউ বাজার এলাকা
- গাবতলী পশুর হাট
- খিলক্ষেত থানাধীন ৪৩ নম্বর ওয়ার্ডের মস্তুল চেকপোস্ট সংলগ্ন পশ্চিম পাড়া
- বড় বেরাইদ বসুন্ধরা গ্রুপের জায়গা
ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের হাটগুলো
- কাজলা ব্রিজ থেকে মাতুয়াইল মৃধাবাড়ী পানির পাম্প পর্যন্ত
- মোস্তমামি মোড় সংলগ্ন গ্রিন বনশ্রী হাউজিং
- ব্রাদার্স ইউনিয়ন ক্লাবের দক্ষিণ পূর্ব পাশ
- রহমতগঞ্জ ক্লাবসংলগ্ন এলাকা
- পোস্তগোলা শ্মশানঘাটের পশ্চিমপার্শ্বে নদীর পাড়
- উত্তর শাহজাহানপুর খিলগাঁও রেলগেট বাজারের মৈত্রী সংঘ ক্লাবসংলগ্ন এলাকা
- শিকদার মেডিকেল সংলগ্ন আমিন মোহাম্মদ গ্রুপের এলাকা
- গোলাপবাগস্থ আউটফল স্টাফ কোয়ার্টার এলাকা
- আমুলিয়া মডেল টাউন
- সারুলিয়া
- সাদেক হোসেন খোকা মাঠের দক্ষিণ পার্শ্বের খালি জায়গা
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন
- বিবির হাট
- সাগরিকা
রংপুর সিটি করপোরেশন
- লালবাগ সদর হাট
খুলনা সিটি করপোরেশন
- জোড়া হাট
রাজশাহী সিটি করপোরেশন
- সিটি হাট
ব্যাংকিং সেবার নির্দেশনা
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের চিঠিতে তিনটি নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। প্রথমত, ২৪ মে থেকে ২৭ মে পর্যন্ত ওই পাঁচ সিটি করপোরেশনের কুরবানির হাটের কাছে থাকা ব্যাংক শাখা বা উপশাখা সকাল ১০টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত খোলা রাখতে হবে। দ্বিতীয়ত, পর্যাপ্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করে হাটে অস্থায়ী বুথ স্থাপনের মাধ্যমে অর্থ জমা, উত্তোলন ও নতুন হিসাব খোলার ব্যবস্থা রাখতে হবে। তৃতীয়ত, অতিরিক্ত সময়ে দায়িত্ব পালনকারী কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিশেষ ভাতা দিতে হবে।
এতে করে ক্রেতা ও ব্যবসায়ীরা নির্বিঘ্নে লেনদেন করতে পারবেন এবং নগদ অর্থের নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।



