ব্যাংক রেজল্যুশন অধ্যাদেশ স্থগিত করে ডাকাতদের সক্রিয় করার অভিযোগ ডা. শফিকুর রহমানের
ব্যাংক রেজল্যুশন স্থগিত করে ডাকাতদের সক্রিয় করার অভিযোগ

ব্যাংক রেজল্যুশন অধ্যাদেশ স্থগিত করে ডাকাতদের সক্রিয় করার অভিযোগ ডা. শফিকুর রহমানের

জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান অভিযোগ করেছেন, ব্যাংক রেজল্যুশন অধ্যাদেশ স্থগিত বা আটকে দেওয়ার মাধ্যমে ব্যাংক ডাকাতদের আবারও সক্রিয় করার তৎপরতা চলছে। শনিবার (১৮ এপ্রিল) বিকেলে রাজধানীর মগবাজারে বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

অর্থপাচার ও লুটপাটের সংস্কৃতি অব্যাহত

ডা. শফিকুর রহমান তার বক্তব্যে দাবি করেন, দেশে অর্থপাচার ও লুটপাটের সংস্কৃতি এখনো বন্ধ হয়নি। তিনি বলেন, "অতীতে যেসব কারণে আর্থিক খাতে দুর্নীতি ও অনিয়ম হয়েছে, সেগুলো এখনো বিদ্যমান রয়েছে।" তার মতে, ব্যাংক খাতে সংস্কারের প্রক্রিয়া ইচ্ছাকৃতভাবে বাধাগ্রস্ত করা হচ্ছে।

ব্যাংক রেজল্যুশন আটকে দেওয়ার চক্রান্তের অভিযোগ

জামায়াত নেতা আরও অভিযোগ করেন, ব্যাংক রেজল্যুশন অধ্যাদেশ আটকে দিয়ে একটি বিশেষ চক্রকে সুবিধা দেওয়ার চেষ্টা চলছে। তিনি বলেন, "এই পদক্ষেপটি ব্যাংক ডাকাতদের পুনরায় সক্রিয় করার একটি কৌশল হিসেবে কাজ করতে পারে।" তার ভাষায়, এটি আর্থিক খাতের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতাকে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করছে।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

জ্বালানি সংকট ও সরকারের তথ্য গোপন করার অভিযোগ

জ্বালানি সংকট নিয়েও সমালোচনা করে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, দেশ বর্তমানে "সর্বগ্রাসী ধসের" মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। তিনি মন্তব্য করেন, "সংসদে সব তেল ঢুকে গেছে, তাই বাইরে তেলের সংকট দেখা গেছে।" সরকারের প্রতি অভিযোগ তুলে তিনি বলেন, সঠিক তথ্য প্রকাশে সরকার ভয় পাচ্ছে এবং জনগণের কাছে বাস্তব পরিস্থিতি তুলে ধরার আহ্বান জানান।

অনুষ্ঠানে তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর কার্যক্রমে অনিয়ম ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি। তার মতে, ব্যাংক রেজল্যুশন অধ্যাদেশটি কার্যকর হলে এটি অর্থপাচার রোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারত।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ