ইসলামী ব্যাংকের নতুন চেয়ারম্যান খুরশীদ আলম, জামায়াতের তীব্র প্রতিক্রিয়া
ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যান নিয়ে জামায়াতের তীব্র প্রতিক্রিয়া

ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি’র নতুন চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক ডেপুটি গভর্নর খুরশীদ আলম। রবিবার (২৪ মে) তাকে ব্যাংকটির স্বতন্ত্র পরিচালক ও চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ দেয় বাংলাদেশ ব্যাংক।

জামায়াতের তীব্র প্রতিক্রিয়া

এদিকে, ব্যাংকটির নতুন চেয়ারম্যান নিয়োগের বিষয়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। এই নিয়োগকে তারা ‘ইসলামী ব্যাংকের ওপর সরকারের অযাচিত হস্তক্ষেপ’ বলে মন্তব্য করেছে। দলটির দাবি, নতুন চেয়ারম্যান হিসেবে যাকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে, তিনি আওয়ামী ফ্যাসিস্টদের চিহ্নিত দোসর।

সোমবার (২৫ মে) এক বিবৃতিতে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক এমপি মিয়া গোলাম পরওয়ার এসব কথা বলেন।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

বিবৃতিতে যা বলা হয়েছে

বিবৃতিতে মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, “আমরা উদ্বেগের সঙ্গে লক্ষ্য করছি, সরকার একের পর এক হঠকারী সিদ্ধান্ত নিয়ে দেশের ব্যাংকব্যবস্থা তথা আর্থিকখাতকে ঝুঁকির মধ্যে নিক্ষেপ করছে।”

তিনি বলেন, “গতকাল ইসলামী ব্যাংকের এমডিকে পদত্যাগে বাধ্য করা হয়েছে। জনগণের আস্থায় যাতে ফাটল ধরে সে লক্ষ্যে চেয়ারম্যানকেও পদচ্যুত করা হয়েছে। এহেন পরিস্থিতিতে ব্যাংকের কোটি কোটি গ্রাহক এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ সৃষ্টি হয়েছে।”

মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, “আমরা আরও উদ্বেগের সঙ্গে লক্ষ্য করছি, ইসলামী ব্যাংকে যাকে নতুন চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে, তিনি পালিয়ে যাওয়া আওয়ামী ফ্যাসিস্টদের চিহ্নিত দোসর। তার মতো একজন ব্যক্তিকে নিয়োগ দেওয়া খাল কেটে কুমির আনারই শামিল।”

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

তিনি আরও বলেন, “ব্যাংকিং খাতের আড়াই লাখ কোটি টাকা লুটপাটকারীদের বিরুদ্ধে কার্যকর কোনো ব্যবস্থা না নিয়ে বরং তাদের ধরা-ছোঁয়ার বাইরে রেখে লুণ্ঠনের পথ প্রশস্ত করার জন্যই ২৪-এর গণঅভ্যুত্থানের পরে পদচ্যুত বাংলাদেশ ব্যাংকের একজন সাবেক ডেপুটি গভর্নরকে ইসলামী ব্যাংকে চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। সরকার ও বাংলাদেশ ব্যাংকের এহেন পদক্ষেপের বিরুদ্ধে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই এবং তার অপসারণ দাবি করছি।”

তিনি বলেন, “দেশের আর্থিক খাতে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনার লক্ষ্যে বাংলাদেশ ব্যাংকের অযোগ্য ও দলদাস গভর্নরকে অপসারণ, লুণ্ঠনকৃত অর্থ ফেরৎ আনা এবং কোনো একজন যোগ্য ও সৎ লোককে চেয়ারম্যান করে যোগ্য, মেধাবী, সৎ এবং ইসলামী ব্যাংকিংয়ে অভিজ্ঞতা সম্পন্ন লোকদের সমন্বয়ে ইসলামী ব্যাংকের বোর্ডকে পুনর্গঠন করতে হবে। অন্যথায় উদ্ভূত পরিস্থিতির দায় সরকারকেই বহন করতে হবে।”