২০২৬-২৭ অর্থবছরে মুদি দোকান ও বিউটি পার্লারসহ বেশ কয়েকটি ব্যবসায়িক খাতকে মূল্য সংযোজন করের (ভ্যাট) আওতায় আনার পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। বুধবার সংসদে সংরক্ষিত আসনের সংসদ সদস্য সেলিনা সুলতানার এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য জানান।
ভ্যাটের আওতায় আসতে যাওয়া খাতসমূহ
অর্থমন্ত্রী জানান, ভ্যাট কাঠামোর আওতায় আনার জন্য বিবেচিত খাতগুলোর মধ্যে রয়েছে গার্মেন্টস ও পোশাক খুচরা বিক্রেতা, মিষ্টান্ন ব্যবসা, প্রসাধনী দোকান, প্লাস্টিক ও সিরামিক গৃহস্থালী পণ্য বিক্রেতা, জুতার দোকান, হার্ডওয়্যার স্টোর, ডেকোরেটর, এবং মোবাইল ফোন, এয়ার কন্ডিশনার, রেফ্রিজারেটর, ওভেন ও অন্যান্য ইলেকট্রনিক পণ্যের খুচরা বিক্রেতা।
এছাড়াও পেইন্ট ও হার্ডওয়্যার ব্যবসা, স্যানিটারি ওয়্যার ও ফিটিংসের দোকান, টাইলস খুচরা বিক্রেতা, ঢেউটিন, রড ও সিমেন্ট ব্যবসায়ী, আসবাবপত্র ব্যবসা, মিষ্টির দোকান ও রেস্তোরাঁকেও ভ্যাটের আওতায় আনার প্রস্তাব করা হয়েছে। সংবাদ সংস্থা ইউএনবি এ তথ্য জানিয়েছে।
সরকারের রাজস্ব আয় বৃদ্ধির প্রচেষ্টা
ভ্যাট নেট সম্প্রসারণের এই পদক্ষেপ করের ভিত্তি বিস্তৃত করা এবং অভ্যন্তরীণ রাজস্ব সংগ্রহ বাড়ানোর জন্য সরকারের বৃহত্তর প্রচেষ্টার অংশ বলে জানান অর্থমন্ত্রী। তিনি সংসদকে আরও জানান, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে সরকার ভ্যাট খাত থেকে ১ লাখ ৪১ হাজার ৫৮৬ কোটি টাকা রাজস্ব সংগ্রহ করেছে।



