জ্বালানি সাশ্রয়ে ব্যাংক ও শেয়ারবাজারের নতুন সময়সূচি শুরু
জ্বালানি সাশ্রয়ে ব্যাংক-শেয়ারবাজারের নতুন সময়

জ্বালানি সাশ্রয়ে ব্যাংক ও শেয়ারবাজারের নতুন সময়সূচি শুরু

জ্বালানি ও বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের সরকারি সিদ্ধান্তের আলোকে আজ রবিবার (৫ এপ্রিল) থেকে দেশের ব্যাংক, আর্থিক প্রতিষ্ঠান ও শেয়ারবাজার নতুন সময়সূচিতে পরিচালিত হবে। বাংলাদেশ ব্যাংকের জারি করা নির্দেশনা অনুযায়ী, এই পরিবর্তনটি কার্যকর হয়েছে, যা জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় গৃহীত পদক্ষেপের অংশ।

ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের সময়সূচি

নতুন সূচি অনুযায়ী, ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলি সকাল ১০টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত খোলা থাকবে। তবে গ্রাহক লেনদেনের সময় সীমিত করা হয়েছে, যা বিকাল ৩টা পর্যন্ত চলবে। এই সিদ্ধান্তটি শনিবার সাপ্তাহিক ছুটির দিনে বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক জারি করা পৃথক নির্দেশনায় উল্লেখ করা হয়েছে।

শেয়ারবাজারের সময় পরিবর্তন

শেয়ারবাজারে লেনদেনের সময়ও পরিবর্তন করা হয়েছে। এখন থেকে শেয়ারবাজারে লেনদেন শেষ হবে দুপুর ২টায়, যা আগের সময়ের তুলনায় আধা ঘণ্টা আগে। সাধারণ সময়ে শেয়ারবাজারে লেনদেন সকাল ১০টা থেকে দুপুর আড়াইটা পর্যন্ত চলত। এই পরিবর্তনটি জ্বালানি সাশ্রয়ের লক্ষ্যে করা হয়েছে বলে বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

অন্যান্য আর্থিক ব্যবস্থার সময় হ্রাস

ব্যাংকিং লেনদেনের পাশাপাশি বাংলাদেশ ব্যাংকের বিভিন্ন আন্তঃব্যাংক নিষ্পত্তি ব্যবস্থার সময়ও কমানো হয়েছে। এর মধ্যে বাংলাদেশ অটোমেটেড চেক ক্লিয়ারিং হাউস (বিএসিএইচ) এবং রিয়েল টাইম গ্রস সেটেলমেন্ট (আরটিজিএস) প্ল্যাটফর্মে লেনদেন নিষ্পত্তির সময় সংক্ষিপ্ত করা হয়েছে। এই পদক্ষেপগুলি জ্বালানি ও বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের উদ্দেশ্যে গৃহীত হয়েছে।

ব্যতিক্রম ও ছুটির দিন

তবে সমুদ্রবন্দর, স্থলবন্দর ও বিমানবন্দর এলাকায় অবস্থিত ব্যাংকের শাখা, উপশাখা বা বুথ আগের মতোই সপ্তাহে সাত দিন ২৪ ঘণ্টা খোলা থাকবে। এছাড়া ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের সাপ্তাহিক ছুটি আগের মতোই শুক্রবার ও শনিবার বহাল থাকবে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

সরকারি সিদ্ধান্তের প্রেক্ষাপট

উল্লেখ্য, জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় গত বৃহস্পতিবার মন্ত্রিপরিষদের বৈঠকে সরকারি ও বেসরকারি অফিসের সময়সূচি, মার্কেট ও বিপণিবিতান খোলা রাখার সময় কমানোসহ বিভিন্ন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সেই সিদ্ধান্তের আলোকে কেন্দ্রীয় ব্যাংক ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের নতুন সময়সূচি নির্ধারণ করে নির্দেশনা জারি করেছে। এই পদক্ষেপটি জ্বালানি সাশ্রয়ের পাশাপাশি বিদ্যুৎ খরচ কমানোর উদ্দেশ্যে পরিচালিত হচ্ছে।