মেটলাইফ বাংলাদেশের বিমা সুবিধা পাবেন এনরুট ইন্টারন্যাশনালের মাধ্যমে নিয়োগপ্রাপ্ত কর্মীরা
এনরুটের কর্মীদের মেটলাইফের বিমা সুবিধা, চুক্তি স্বাক্ষরিত

এনরুট ইন্টারন্যাশনালের মাধ্যমে নিয়োগপ্রাপ্ত কর্মীদের জন্য মেটলাইফ বাংলাদেশের বিমা সুবিধা

বহুজাতিক বিমা প্রতিষ্ঠান মেটলাইফ বাংলাদেশ এবার এনরুট ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের মাধ্যমে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে নিয়োগ পাওয়া কর্মকর্তা ও কর্মীদের বিমা সুরক্ষা সুবিধা প্রদান করবে। গতকাল শনিবার রাজধানীর এনরুটের কার্যালয়ে দুই প্রতিষ্ঠানের মধ্যে একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে, যা কর্মীদের আর্থিক নিরাপত্তা ও কল্যাণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।

চুক্তি স্বাক্ষর ও উপস্থিত কর্মকর্তারা

চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে এনরুট ইন্টারন্যাশনালের প্রধান পরিচালন কর্মকর্তা মো. শাহজাদ হোসেন এবং মেটলাইফ বাংলাদেশের উপব্যবস্থাপনা পরিচালক (ডিএমডি) আলা উদ্দিন উপস্থিত ছিলেন। এই চুক্তির মাধ্যমে এনরুটের মাধ্যমে নিয়োগপ্রাপ্ত বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কর্মীরা মেটলাইফের বিমা পলিসির আওতায় আসবেন, যা তাদের জীবন ও স্বাস্থ্য সুরক্ষায় সহায়ক হবে।

এনরুট ইন্টারন্যাশনালের ভূমিকা ও অভিজ্ঞতা

এনরুট ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ একটি শীর্ষ মানবসম্পদ (এইচআর) পরামর্শক প্রতিষ্ঠান হিসেবে পরিচিত, যা প্রায় ১৮ বছর ধরে দেশের জাতীয় ও বহুজাতিক প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে কাজ করে আসছে। প্রতিষ্ঠানটির মাধ্যমে নিয়োগপ্রাপ্ত কর্মীদের জন্য এই বিমা সুবিধা চালু হওয়ায় তাদের পেশাগত নিরাপত্তা আরও বৃদ্ধি পাবে বলে বিশেষজ্ঞরা মত দিয়েছেন।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

মেটলাইফ বাংলাদেশের বাজার অবস্থান ও পরিসংখ্যান

মেটলাইফ বাংলাদেশের তথ্য অনুযায়ী, প্রতিষ্ঠানটির বাংলাদেশে প্রায় ১০ লাখ ব্যক্তিগত গ্রাহক রয়েছে। ২০২৫ সালে তারা মোট ২ হাজার ৮৯৫ কোটি টাকার বিমা দাবি পরিশোধ করেছে, যা তাদের আর্থিক সক্ষমতা ও গ্রাহক সেবার মান প্রতিফলিত করে। এই নতুন চুক্তি প্রতিষ্ঠানটির গ্রাহক ভিত্তি আরও সম্প্রসারণে সহায়তা করবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

এই উদ্যোগটি করপোরেট খাতে কর্মী কল্যাণ ও সুরক্ষা ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করার দিকে একটি উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এমন অংশীদারিত্ব বাংলাদেশের বিমা শিল্পে নতুন মাত্রা যোগ করতে পারে এবং অন্যান্য প্রতিষ্ঠানগুলোকেও অনুরূপ উদ্যোগ নিতে উৎসাহিত করতে পারে।