বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশে ব্যাংক এশিয়ার আর্থিক সাক্ষরতা দিবস উদযাপন
ব্যাংক এশিয়ার আর্থিক সাক্ষরতা দিবস উদযাপন

ব্যাংক এশিয়ার আর্থিক সাক্ষরতা দিবস উদযাপন

বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনা অনুসরণ করে ব্যাংক এশিয়া পিএলসি ২ মার্চ ‘আর্থিক সাক্ষরতা দিবস–২০২৬’ পালন করেছে। এ উপলক্ষে ব্যাংকটি দেশব্যাপী একাধিক উদ্যোগ গ্রহণ করেছে, যার মাধ্যমে আর্থিক সাক্ষরতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখার চেষ্টা করা হয়েছে।

ভার্চুয়াল সভা ও উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ

দিবসটি উপলক্ষে ব্যাংক এশিয়া তার কর্মকর্তাদের সাথে একটি জাতীয় পর্যায়ের ভার্চুয়াল সভার আয়োজন করে। এতে প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সোহাইল আরকে হুসাইন। অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন ডেপুটি ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এজেন্ট ব্যাংকিং ও সিআরএম প্রধান) জিয়াউল হাসান।

রেমিট্যান্স গ্রাহকদের জন্য বিশেষ কর্মসূচি

দিনব্যাপী উদযাপনের অংশ হিসেবে ব্যাংক এশিয়া ইউএনসিডিএফ-অর্থায়িত একটি প্রকল্পের অধীনে চট্টগ্রাম, ফেনী, কুমিল্লা, নারায়ণগঞ্জ, নরসিংদী ও টাঙ্গাইল জেলায় রেমিট্যান্স গ্রাহকদের জন্য বিশেষ আর্থিক সাক্ষরতা কর্মসূচি পরিচালনা করে। এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য হলো গ্রাহকদের মধ্যে নিরাপদ ও সুরক্ষিত রেমিট্যান্স চর্চা সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি করা।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও অডিও-ভিজ্যুয়াল প্রচারণা

ব্যাংকটি তার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম প্ল্যাটফর্মে নিবেদিত আর্থিক সাক্ষরতা বিষয়ক কনটেন্ট প্রচার করেছে। পাশাপাশি, বিভিন্ন স্থানে অডিও-ভিজ্যুয়াল উপকরণ প্রদর্শনের মাধ্যমে দায়িত্বশীল আর্থিক অনুশীলনকে উৎসাহিত করা হয়েছে।

দীর্ঘমেয়াদী আর্থিক সাক্ষরতা কার্যক্রম

গত কয়েক বছর ধরে ব্যাংক এশিয়া দেশব্যাপী ব্যাপক আর্থিক সাক্ষরতা কর্মসূচি পরিচালনা করে আসছে। এসব কর্মসূচির লক্ষ্য হলো অবহেলিত সম্প্রদায় ও পেশাজীবী যারা পূর্বে আনুষ্ঠানিক ব্যাংকিং নেটওয়ার্কের বাইরে ছিল, তাদের কাছে ব্যাংকিং সেবা পৌঁছে দেওয়া।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

এ পর্যন্ত ব্যাংকটি সরাসরি ১,৮৮,৫০০ গ্রাহককে আর্থিক সাক্ষরতা প্রশিক্ষণ প্রদান করেছে এবং পরোক্ষভাবে প্রায় ১৫ লক্ষ ব্যক্তির কাছে পৌঁছাতে সক্ষম হয়েছে। এই প্রচেষ্টার মাধ্যমে ব্যাংকিং কার্যক্রম, পণ্য ও সেবা সম্পর্কে ব্যাপক সচেতনতা তৈরি করা হচ্ছে।

ব্যাংক এশিয়ার এই উদ্যোগগুলো আর্থিক অন্তর্ভুক্তি ও সাক্ষরতা বৃদ্ধিতে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখছে, যা দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে ইতিবাচক ভূমিকা পালন করবে বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করেন।