ঢাকার মণিপুরি পাড়ায় ব্র্যাক ব্যাংকের নতুন উপশাখা উদ্বোধন, শাখা সংখ্যা বেড়ে ১১৬
ব্র্যাক ব্যাংকের নতুন উপশাখা উদ্বোধন, শাখা সংখ্যা ১১৬

ঢাকার মণিপুরি পাড়ায় ব্র্যাক ব্যাংকের নতুন উপশাখার উদ্বোধন

ব্র্যাক ব্যাংক সম্প্রতি ঢাকার তেজগাঁওয়ের মণিপুরি পাড়ায় একটি নতুন উপশাখা উদ্বোধন করেছে। এই উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা তারেক রেফাত উল্লাহ খান প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। এ সময় ব্যাংকের উপব্যবস্থাপনা পরিচালক শেখ মোহাম্মদ আশফাক, ডিস্ট্রিবিউশন নেটওয়ার্কের সিনিয়র জোনাল হেড এ কে এম তারেক (উত্তর) এবং সিনিয়র জোনাল হেড (দক্ষিণ) তাহের হাসান আল মামুনসহ অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা অংশগ্রহণ করেন।

উপশাখার সংখ্যা বৃদ্ধি ও সেবার পরিধি

এই নতুন উপশাখা উদ্বোধনের মাধ্যমে ব্র্যাক ব্যাংকের উপশাখার সংখ্যা বেড়ে ১১৬-এ দাঁড়িয়েছে। সংবাদ বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, ঢাকার এই ব্যস্ত এলাকাটি মণিপুরি জাতিগোষ্ঠী, আবাসিক এলাকা এবং ক্রমবর্ধমান ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের জন্য সুপরিচিত। নতুন উপশাখাটি স্থানীয় গ্রাহকদের জন্য সুবিধাজনক ও উন্নত ব্যাংকিং সেবা প্রদান করবে।

গ্রাহকরা এখানে নিম্নলিখিত সেবাগুলো গ্রহণ করতে পারবেন:

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ
  • অ্যাকাউন্ট বা হিসাব খোলা
  • নগদ জমা ও উত্তোলন
  • ডিপিএস-এফডিআর খোলা
  • ইএফটিএন ও আরটিজিএস ফান্ড ট্রান্সফার
  • রেমিট্যান্স সেবা
  • ইউটিলিটি বিল পরিশোধ
  • ক্রেডিট কার্ড ও ডেবিট কার্ড সেবা
  • স্টুডেন্ট ফাইল ও কনজ্যুমার লোন
  • চেকবই প্রসেসিং
  • আস্থা অ্যাপ রেজিস্ট্রেশন
  • স্কুল ব্যাংকিং
  • সঞ্চয়পত্র সেবা

তবে এই উপশাখায় বৈদেশিক মুদ্রা-সংক্রান্ত সেবা প্রদান করা হবে না বলে জানানো হয়েছে।

দেশব্যাপী ব্যাংকিং নেটওয়ার্ক

ব্র্যাক ব্যাংক বর্তমানে দেশব্যাপী একটি বিস্তৃত নেটওয়ার্ক পরিচালনা করছে। সংস্থাটির মোট শাখা ও উপশাখার সংখ্যা ৩১০টি, এটিএম বুথ ৩৩০টি, এসএমই ইউনিট অফিস ৪৪৬টি এবং এজেন্ট ব্যাংকিং আউটলেট ১,১১৭টি। এই নেটওয়ার্কের মাধ্যমে ব্যাংকটি গ্রামীণ ও শহুরে এলাকায় ব্যাংকিং সেবার প্রসার ঘটাচ্ছে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

নতুন উপশাখাটি স্থানীয় সম্প্রদায়ের জন্য ব্যাংকিং সুবিধা সহজলভ্য করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে আশা করা হচ্ছে। এটি ব্র্যাক ব্যাংকের সামগ্রিক বৃদ্ধি এবং সেবার মান উন্নয়নের দিকে একটি উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।