সারাজীবনের সঞ্চয় কোথায় বিনিয়োগ করবেন, তা নিয়ে অনেকেই দুশ্চিন্তায় থাকেন। কেউ স্থায়ী সম্পদে বিনিয়োগ করেন, কেউ সঞ্চয়পত্র বা বিভিন্ন ব্যবসায়। তবে মধ্যবিত্তদের জন্য একটি স্মার্ট সঞ্চয় মাধ্যম হলো প্রাইজবন্ড।
প্রাইজবন্ডের ১২৩তম ড্র
সমাজের সব শ্রেণির মানুষের সঞ্চয় প্রবণতা বাড়াতে সরকার 'বাংলাদেশ প্রাইজবন্ড' চালু করেছে। এই বন্ড যেকোনো সময় কেনা ও ভাঙানো যায়। আজ ৩০ এপ্রিল ২০২৬ অনুষ্ঠিত হবে এর ১২৩তম ড্র।
পুরস্কারের বিবরণ
প্রথম পুরস্কার বিজয়ী পাবেন ৬ লাখ টাকা। দ্বিতীয় পুরস্কার হিসেবে প্রতিজন পাবেন ৩ লাখ ২৫ হাজার টাকা। তৃতীয় পুরস্কার ১ লাখ টাকা, চতুর্থ পুরস্কার ৫০ হাজার টাকা এবং পঞ্চম পুরস্কার হিসেবে প্রতিজন পাবেন ১০ হাজার টাকা করে।
ড্রয়ের নিয়ম
প্রাইজবন্ডের ঘোষিত নম্বরের প্রতিটি সিরিজ একই পুরস্কারের জন্য প্রযোজ্য। অর্থাৎ নির্দিষ্ট নম্বরের সব বন্ডই পুরস্কারের আওতায় আসে। ড্রয়ে অংশ নিতে একটি নির্দিষ্ট সময়সীমা অনুসরণ করা হয়। ড্রয়ের তারিখ থেকে ৬০ দিন আগে পর্যন্ত বিক্রি হওয়া প্রাইজবন্ডগুলোই এই ড্রয়ের জন্য বিবেচিত হয়। এখানে বিক্রির তারিখ গণনায় ড্রয়ের দিনটি অন্তর্ভুক্ত করা হয় না।
কর ও সময়সূচি
আয়কর আইন ২০২৩ অনুযায়ী প্রাইজবন্ডে প্রাপ্ত পুরস্কারের ওপর ২০ শতাংশ হারে উৎসে কর কেটে নেওয়া হয়। প্রতিবছর নির্ধারিত চারটি তারিখে ৩১ জানুয়ারি, ৩০ এপ্রিল, ৩১ জুলাই ও ৩১ অক্টোবর প্রাইজবন্ডের ড্র অনুষ্ঠিত হয়। তবে এই তারিখ সাপ্তাহিক ছুটি বা সরকারি ছুটির দিনে পড়লে পরবর্তী কার্যদিবসে ড্র অনুষ্ঠিত হবে।



