মোস্তাফা জিকো ততক্ষণে গোলের উদযাপন সেরে ফেলেছেন। ক্যামেরায় ধরা পড়ছিল লিওনেল মেসিদের হতাশাভরা মুখ আর মোহাম্মদ সালাহদের উল্লাস। কিন্তু মুহুর্তেই সব বদলে গেল। রেফারি জানাল, গোল হয়নি। সেই না হওয়া গোল নিয়েই চলছে আলোচনা-সমালোচনা।
ঘটনার বিবরণ
ম্যাচে মিশর তখন ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে। দলের ফরোয়ার্ড মোস্তাফা জিকো দুর্দান্ত এক আক্রমণ থেকে গোল করেন। মোহাম্মদ সালাহ বল বাড়িয়ে দিলে জিকো কাছ থেকে জালে বল পাঠান। গোলের পর উচ্ছ্বাসে জার্সি খুলে উদযাপনও করেন। কিন্তু কয়েক মিনিট পর ভিএআর হস্তক্ষেপ করে। গোল হওয়ার আগে আক্রমণ গড়ার সময় মিশরের এক খেলোয়াড় ফাউল করেছিলেন বলে সিদ্ধান্ত দেন ম্যাচ কর্মকর্তারা। ফলে জিকোর গোলটি বাতিল করা হয়।
ভিএআর ও আইনের ব্যাখ্যা
ইন্টারন্যাশনাল ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন বোর্ড (আইএফএবি)-এর লজ অব দ্য গেম অনুযায়ী, গোল হওয়ার আগে আক্রমণ তৈরির সময় যদি ফাউল, অফসাইড, হ্যান্ডবল বা অন্য কোনো অপরাধ ঘটে, তাহলে ভিএআর সেই পুরো আক্রমণ পর্যালোচনা করে গোল বাতিল করতে পারে।
আইএফএবি-এর নিয়মে বলা হয়েছে, ভিএআর পর্যালোচনাযোগ্য ঘটনার আগে ও পরের খেলার ধারাবাহিকতা পরীক্ষা করতে পারে। এছাড়া গোল হওয়ার আগে আক্রমণ গড়ার সময় আক্রমণকারী দলের কোনো অপরাধ (যেমন ফাউল, হ্যান্ডবল বা অফসাইড) ধরা পড়লে গোল বাতিলের সুযোগ রয়েছে।
ম্যাচের ফলাফল
যদিও পরে জিকো আবারও গোল করে মিশরকে ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে দেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত নাটকীয়ভাবে ঘুরে দাঁড়িয়ে আর্জেন্টিনা ৩-২ ব্যবধানে জয় তুলে নেয়।



