বিশ্বকাপের শেষ ষোলোর ম্যাচে নরওয়ের মুখোমুখি হয় ব্রাজিল। শুরুতেই পেনাল্টি পায় পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। কিন্তু সেই পেনাল্টি মিস করেন ব্রুনো গিমারেস। এর আগে ভিনিসিয়ুস জুনিয়র বল হাতে নিয়ে স্পটের কাছে দাঁড়িয়েছিলেন। ভিএআর পর্যালোচনার পর পেনাল্টি নিশ্চিত হয়। শেষ মুহূর্তে ভিনি বল তুলে দেন ব্রুনোর হাতে।
পেনাল্টি মিসের ঘটনা
ব্রুনো একটু থেমে থেমে দৌড়ে এসে ডান পায়ে ডান দিকে শট নেন। কিন্তু গোলরক্ষক সেই শট ঠেকিয়ে দেন। এরপর সবার মনে একটাই প্রশ্ন জাগে—তারকা খেলোয়াড় ভিনি কেন নিজে পেনাল্টি নিলেন না?
পরিকল্পিত সিদ্ধান্ত নাকি আকস্মিক?
এই সিদ্ধান্ত হয়তো আগে থেকেই পরিকল্পনা করা ছিল। মাঠের মধ্যে হঠাৎ নেওয়া কোনো সিদ্ধান্ত নয় বলে মনে হচ্ছে। তবে খেলোয়াড়দের মুখ থেকে না শোনা পর্যন্ত পুরোপুরি নিশ্চিত হওয়া যাচ্ছে না। এখন পর্যন্ত এটুকু স্পষ্ট যে ব্রুনোই এই সুযোগ অর্জন করেছিলেন।
ব্রুনোর পেনাল্টি রেকর্ড
নিজের ক্লাব নিউক্যাসল ইউনাইটেডে ব্রুনো প্রায়ই ফ্রি কিক নেন। ব্রাজিল দলের হয়েও তিনি ফ্রি কিক নিয়ে থাকেন। টেকনিক্যাল দক্ষতার জন্য তার ভালো সুনাম আছে। ক্যারিয়ারে ব্রুনো এর আগে তিনটি পেনাল্টির মধ্যে তিনটিতেই গোল করেছেন। তবে ব্রাজিলের হয়ে এর আগে তিনি কখনো পেনাল্টি নেননি।
ভিনির পেনাল্টি পরিসংখ্যান
অন্যদিকে ভিনির ক্যারিয়ারের পরিসংখ্যান একটু ভিন্ন। মোট ১৯টি পেনাল্টির মধ্যে তিনি গোল করেছেন ১৩টিতে। কিন্তু ব্রাজিলের জার্সিতে তিনি তিনটি পেনাল্টির মধ্যে মাত্র একটিতে গোল করতে পেরেছেন। তার পেনাল্টি না নেওয়ার সেটাও একটা কারণ হতে পারে।
ম্যাচের গুরুত্ব ও পরবর্তী খেলা
ম্যাচটি ছিল বিশ্বকাপের শেষ ষোলোর লড়াই। নরওয়ে ও ব্রাজিলের মধ্যে এই ম্যাচটি ০-০ গোলে শেষ হয়। পরবর্তী খেলাগুলোর মধ্যে রয়েছে মেক্সিকো বনাম ইংল্যান্ড এবং পর্তুগাল বনাম স্পেন।



