কাবরালের প্রেমিকা জেলি দা ক্রুজ: কে এই নারী?
কাবরালের প্রেমিকা জেলি দা ক্রুজ: কে এই নারী?

বিশ্বকাপ ২০২৬-এর রাউন্ড অব ৩২-এ আর্জেন্টিনার বিপক্ষে কেপ ভার্দের ডিফেন্ডার সিডনি লোপেস কাবরালের গোল ও তার ব্যতিক্রমী উদযাপন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। গোলের পর প্রেমিকা জেলি দা ক্রুজকে খুঁজতে গ্যালারিতে ছুটে যাওয়ার ঘটনা টুর্নামেন্টের স্মরণীয় মুহূর্ত হয়ে উঠেছে।

গোল ও উদযাপনের নাটকীয়তা

ম্যাচের ৯০ মিনিট পর্যন্ত বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনাকে ১-১ গোলে আটকে রাখে কেপ ভার্দে। অতিরিক্ত সময়ে ২-২ সমতা ফেরানোর পর কাবরাল উচ্ছ্বাসে আত্মহারা হয়ে সরাসরি গ্যালারিতে ছুটে যান তার প্রেমিকা জেলি দা ক্রুজকে খুঁজতে। কিন্তু তিনি তখন সেখানে ছিলেন না। নিরাপত্তাকর্মী, পুলিশ, ম্যাচ কর্মকর্তা, এমনকি রেফারিও তাকে মাঠে ফিরতে অনুরোধ করেন। আর্জেন্টিনার খেলোয়াড়েরাও বিস্মিত হয়ে দেখেন পুরো ঘটনাটি, কারণ এত দীর্ঘ সময় উদযাপন করার পরও কাবরাল কোনো কার্ড পাননি।

প্রায় দুই মিনিটের নাটক

প্রায় দুই মিনিট ধরে চলা এই নাটকীয় উদযাপনের পর অবশেষে জেলি দা ক্রুজ সেখানে পৌঁছান। এরপর দুজন একে অপরকে জড়িয়ে ধরেন। বিশ্বকাপের মঞ্চে এই আবেগঘন দৃশ্য মুহূর্তেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়ে যায়। তবে কাবরালের সেই গোল শেষ পর্যন্ত কেপ ভার্দেকে জয় এনে দিতে পারেনি। ম্যাচের ফল তাদের পক্ষে না গেলেও নিজের গোল ও ব্যতিক্রমী উদযাপনের মাধ্যমে তিনি দর্শকদের মন জয় করে নিয়েছেন।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

জেলি দা ক্রুজ কে?

ম্যাচ শেষে জেলি দা ক্রুজ নিজের সামাজিক মাধ্যমে কাবরালের গোলের ভিডিও শেয়ার করে লিখেছেন, ‘আমি জীবনে কখনও এতটা গর্ব অনুভব করিনি।’ জেলি দা ক্রুজ পেশায় একজন কনটেন্ট ক্রিয়েটর। তিনি যোগাযোগ ও মানবসম্পদ (Communication and Human Resources) বিষয়ে স্নাতক ডিগ্রিধারী এবং কাবরালের সঙ্গে সম্পর্কে রয়েছেন। এই ঘটনার পর দুজনেরই সামাজিক মাধ্যমে অনুসারীর সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। জেলির অনুসারী বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৪ হাজার ৮০০ জনে, আর কাবরালের অনুসারী সংখ্যা পৌঁছেছে ২ লাখ ৬২ হাজারে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

কাবরালের প্রতিক্রিয়া

ম্যাচ শেষে কাবরাল বলেন, ‘আমি তখন কী করছিলাম, নিজেই জানতাম না। এমন একটি টুর্নামেন্টে এমন গোল করব, কখনও কল্পনাও করিনি। আমরা আরও ভালো ফল পাওয়ার যোগ্য ছিলাম। দুঃখজনকভাবে সেটা হয়নি। তবে আমরা চার বছর পর আবার ফিরে আসব।’ উল্লেখ্য, কেপ ভার্দের হয়ে খেললেও সিডনি লোপেস জন্মগ্রহণ করেন নেদারল্যান্ডসে। গোলের পাশাপাশি প্রেমিকাকে খুঁজে গ্যালারিতে ছুটে যাওয়ার এই ব্যতিক্রমী উদযাপনের কারণে সামাজিক মাধ্যমে কাবরালকে অনেকেই ‘দ্য লাস্ট রোমান্টিক’ নামে আখ্যায়িত করছেন।

ম্যাচের ফলাফল

শেষ পর্যন্ত আর্জেন্টিনা ৩-২ গোলে জিতে কোয়ার্টার ফাইনালে পৌঁছেছে। তবে কেপ ভার্দের এই লড়াকু প্রদর্শনী ও কাবরালের উদযাপন ফুটবলপ্রেমীদের মনে দাগ কেটেছে। সূত্র: মার্কা।