বিশ্বকাপের উদ্বোধনী ম্যাচে আক্রমণভাগের ধার নিয়ে ওঠা সব প্রশ্ন উড়িয়ে বিশ্বকাপে গোলখরা কাটিয়েছে স্পেন। কেপ ভার্দের বিপক্ষে ড্রয়ের ধাক্কার পর সৌদি আরবের বিপক্ষে গোল উৎসব করেছে তারা। দ্বিতীয় ম্যাচে ২০১০ সালের চ্যাম্পিয়নরা জিতেছে ৪-০ গোলে।
ম্যাচের শুরু থেকেই চাপে সৌদি আরব
গ্রুপ এইচে নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত প্রতিপক্ষকে চাপে রাখে ইউরোপের চ্যাম্পিয়নরা। মিকেল ওইয়ারসাবাল প্রথমে লামিনে ইয়ামালের বিশ্বকাপের অভিষেক গোলের যোগান দেন মাত্র দশ মিনিটে। এরপর ওইয়ারসাবাল নিজেই করেন জোড়া গোল। ২১ মিনিটে কর্নার থেকে আসা সুযোগে নিখুঁত শটে জালে বল জড়িয়ে দেন ওইয়ারসাবাল। তিন মিনিট পর আবারও জাল কাঁপান তিনি। দানি ওলমোর অ্যাসিস্টে স্কোর করেন ৩-০।
ওইয়ারসাবালের আরও সুযোগ
রিয়াল সোসিয়েদাদের এই ফরোয়ার্ডের সামনে আরও গোলের সুযোগ এসেছিল। একবার তার শট ক্রসবারে লেগে ফিরে আসে, আরেকটি ভালো সুযোগ কাজে লাগাতে পারেননি। তবু সৌদি রক্ষণে একের পর এক আক্রমণ চালিয়ে গেছে স্পেন। অন্যদিকে, সৌদি আরব নিজেদের রক্ষণ থেকে বের হতে হিমশিম খেয়েছে। আক্রমণেও কার্যত কোনো হুমকি তৈরি করতে পারেনি।
দ্বিতীয়ার্ধে আত্মঘাতী গোলে জয় নিশ্চিত
বিরতির পর ৪৯ মিনিটে ব্যবধান বাড়াতে সময় লাগেনি স্পেনের। পোরোর ক্রস প্রতিপক্ষের ডিফেন্ডাররা কর্নারের বিনিময়ে ক্লিয়ার করলে বাঁ দিক থেকে নিখুঁত কর্নার নেন আলেক্স বায়েনা। প্রথমে পোস্টে একজনের হালকা ছোঁয়ায় বলের গতিপথ বদলে যায়। এরপর কাছ থেকে ভলি শট নেন মার্ক কুকুরেয়া। সৌদি গোলরক্ষক মোহাম্মদ আল-ওয়াইস প্রথম চেষ্টায় বল ঠেকালেও ফিরতি বল দুর্ভাগ্যজনকভাবে ডিফেন্ডার আল তামবাক্তির গায়ে লেগে জালে ঢুকে যায়। ফলে আত্মঘাতী হিসেবে গোলটি নাম লেখায়।



