বোস্টন স্টেডিয়ামে রাতটা ছিল পুরোপুরি উসমান দেম্বেলের। ৭, ২০ ও ৩২ মিনিটে গোল করে মাত্র ২৫ মিনিটে হ্যাটট্রিক সম্পন্ন করেন তিনি— বিশ্বকাপের ইতিহাসে দ্বিতীয় দ্রুততম, ১৯৫৪ সালে অস্ট্রিয়ার এরিখ প্রোবস্টের ২৪ মিনিটের রেকর্ডের পরই।
ম্যাচের প্রথমার্ধ
কিলিয়ান এমবাপ্পে প্রথম দুই গোলে অ্যাসিস্ট করেন, আর তৃতীয় গোলে অ্যাসিস্ট আসে অরেলিয়াঁ চুয়ামেনির কাছ থেকে। মাঝে ২১ মিনিটে আন্দ্রেয়াস শেলদেরুপের অ্যাসিস্টে থেলো আসগার্ড একটি গোল করে ব্যবধান কমান— বিরতিতে স্কোর ছিল ৩-১।
দ্বিতীয়ার্ধ ও শেষ মুহূর্তের গোল
দ্বিতীয়ার্ধে আর কোনও গোল হয়নি দীর্ঘ সময়, যতক্ষণ না ইনজুরি টাইমে (৯০+৪) ব্র্যাডলি বারকোলার অ্যাসিস্টে চতুর্থ গোল করেন দেজিরে দুয়ে— ম্যাচ শেষ হয় ৪-১ ব্যবধানে।
হালান্ড-ওডেগার্ডবিহীন নরওয়ে শেষ পর্যন্ত হারলেও আগেই নকআউট নিশ্চিত করা ফ্রান্সের জন্য এই ম্যাচ ছিল কেবল ফর্ম ধরে রাখার মঞ্চ— আর সেই মঞ্চে দেম্বেলে লিখলেন ইতিহাস।
টরন্টোতে সেনেগালের বিধ্বংসী জয়
অপরদিকে টরন্টোর বিএমও ফিল্ডে আরও একতরফা লড়াই। মাত্র ৪ মিনিটে আবদুলায়ে সেকের অ্যাসিস্টে গোল করেন হাবিব দিয়াররা— শুরুতেই এগিয়ে যায় সেনেগাল। এর আগেই ইরাকের রেবিন সুলাকা লাল কার্ড দেখে দলকে ফেলে দেন কঠিন অবস্থায়।
গোলের বন্যা
দশ জনের ইরাকের বিপক্ষে এরপর একে একে গোলের বন্যা বইয়ে দেয় সেনেগাল— ইসমাইলা সার (৫৯'), পাপে গেয়ে জোড়া গোল (৭১', ৮২'), এবং ইলিমান এনদিয়ায়ে (৯০') মিলে ব্যবধান নিয়ে যান ৫-০ পর্যন্ত।
দুই ম্যাচেই হারা ইরাকের বিশ্বকাপ স্বপ্ন এখানেই শেষ। আর সেনেগাল বিশাল জয় নিয়ে গ্রুপ পর্ব শেষ করলো— যদিও গোল ব্যবধান বিবেচনায় নকআউটে যাওয়ার ভাগ্য নির্ভর করবে অন্য গ্রুপের ফলাফলের ওপর।



