মেসির অ্যাসিস্ট ও গোলে আর্জেন্টিনার নাটকীয় জয় মিসরের বিপক্ষে
মেসির অ্যাসিস্ট ও গোলে আর্জেন্টিনার নাটকীয় জয়

শেষ ষোলোয় মিসরের বিপক্ষে প্রত্যাবর্তনের গল্প লিখে আর্জেন্টিনা জিতেছে ৩-২ গোলে। নব্বই মিনিটের পথে পথে বেশ কিছু আক্ষেপ ও অনুপ্রেরণার রেকর্ডে নাম লিখিয়েছে আর্জেন্টিনা ও মেসি।

ম্যাচের শুরুতে পিছিয়ে পড়া

ম্যাচের ১৫তম মিনিটে এগিয়ে যায় মিসর। ২০২২ বিশ্বকাপে সৌদি আরবের বিপক্ষে প্রথম ম্যাচের পর এই প্রথম বিশ্বকাপে কোনো ম্যাচে পিছিয়ে পড়ে আর্জেন্টিনা। এর আগে টানা ১০টি বিশ্বকাপ ম্যাচে মেসিরা কখনোই পিছিয়ে পড়েনি।

মেসির পেনাল্টি মিস

গ্রুপ পর্বে অস্ট্রিয়া আর শেষ ষোলোয় মিসর—বিশ্বকাপ ইতিহাসের প্রথম ফুটবলার হিসেবে এক আসরে (টাইব্রেকার বাদে) দুটি পেনাল্টি মিস করেছেন মেসি। মূলত, বিশ্বকাপে নেওয়া আটটি পেনাল্টির মধ্যে চারটিই মিস করেছেন মেসি। অর্থাৎ তাঁর পেনাল্টি মিসের হার ৫০ শতাংশ।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

আর্জেন্টিনার টানা জয়

আর্জেন্টিনা বিশ্বকাপে টানা পাঁচ ম্যাচ জিতল। এর আগে তাদের সর্বশেষ পাঁচ ম্যাচের জয়যাত্রা ছিল ২০১৪ সালের ১৫ জুন থেকে ৫ জুলাই পর্যন্ত।

প্রত্যাবর্তনের নজির

দুই বা তার বেশি গোলে পিছিয়ে থেকেও আর্জেন্টিনা এই প্রথম বিশ্বকাপে জিতল। ১৯৬৫ সালের পর এই প্রথম তারা বিশ্বকাপে এমন প্রত্যাবর্তনের নজির গড়ল।

ম্যাচের ৭৮ মিনিট পর্যন্ত আর্জেন্টিনা দুই গোলে পিছিয়ে ছিল। বিশ্বকাপ ইতিহাসে এর আগে কোনো দল এত দেরি পর্যন্ত দুই গোলের বেশি পিছিয়ে থেকেও অতিরিক্ত সময়ে না গড়িয়ে ম্যাচ জিততে পারেনি।

এনজো ফার্নান্দেজের গোল

এনজো ফার্নান্দেজের যে গোলে আর্জেন্টিনা স্কোরলাইন ৩-২ করে, সেটি বিশ্বকাপ ইতিহাসের ৩০০০তম গোল। ৯১ মিনিট ৫৫ সেকেন্ডে করা এই গোলটি ছিল নিয়মিত সময়ে বিশ্বকাপে কোনো আর্জেন্টাইন ফুটবলারের করা সবচেয়ে দেরিতে পাওয়া জয়সূচক গোল।

মেসির গোল ও অ্যাসিস্ট

মিসরের বিপক্ষে করা গোলটি এই বিশ্বকাপে মেসির অষ্টম। মাত্র পাঁচ ম্যাচেই এই গোল করেছেন। ২০২২ বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার শিরোপাজয়ের পথে করেছিলেন ৭ গোল।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

ক্রিস্টিয়ান রোমেরোকে করা অ্যাসিস্টটি বিশ্বকাপে মেসির নবম। বিশ্বকাপ ইতিহাসে সর্বোচ্চ অ্যাসিস্টের রেকর্ড এটি।

আর্জেন্টিনাকে সমতায় ফেরানো গোলটি বিশ্বকাপে মেসির ২১তম। দ্বিতীয় স্থানে থাকা কিলিয়ান এমবাপ্পের চেয়ে দুই গোল বেশি।

পিছিয়ে পড়ার পর জয়

আর্জেন্টিনা একসময় ২-০ গোলে পিছিয়ে বিদায়ের শঙ্কায় পড়েছিল। এর আগে বিশ্বকাপে দুই বা তার বেশি গোলে পিছিয়ে পড়া ১৩টি ম্যাচের একটিও তারা জিততে পারেনি।