অতিরিক্ত সময়ে ম্যাচ গড়ালে ফলটা অন্যরকম হলেও হতে পারতো। কিন্তু ফুটবল শেষ পর্যন্ত কিছু নির্দিষ্ট মুহূর্তের খেলা। আর সেই মুহূর্তটাই তৈরি করেছেন মার্তিনেল্লি। তার অসাধারণ এক ঝলকে জাপানকে ২-১ গোলে হারিয়ে বিশ্বকাপের শেষ ষোলো নিশ্চিত করেছে ব্রাজিল।
ইতিহাস গড়ল ব্রাজিল
যে জয়ে আরও একটি ইতিহাসও গড়েছে সেলেসাওরা। বিশ্বকাপে পিছিয়ে পড়েও ব্রাজিল শেষ পর্যন্ত জয়ের দেখা পেয়েছে ২০০২ সালের পর! সর্বশেষবার তুরস্ককে তারা এভাবে হারাতে পেরেছিল। এই ম্যাচটি ছিল ব্রাজিলের জন্য বিশেষ, কারণ তারা প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপে পিছিয়ে পড়েও জয় পেল ২১ বছর পর।
পরিসংখ্যানের আধিপত্য
ম্যাচে বলের দখল ও পাসিংয়েও ছিল ব্রাজিলের আধিপত্য। পুরো ম্যাচে তারা ৬৮২টি পাস দিয়েছে। এর মধ্যে সর্বোচ্চ ১৩৫টি পাস দিয়েছেন সেন্টার-ব্যাক গ্যাব্রিয়েল মাগালহায়েস। যা চলতি বিশ্বকাপে কোনো ব্রাজিলিয়ান খেলোয়াড়ের এক ম্যাচে সর্বোচ্চ। এই পরিসংখ্যান প্রমাণ করে ব্রাজিলের খেলার নিয়ন্ত্রণ কতটা ছিল।
শেষ ষোলোর পথ
এবার তাদের সামনে আরও কঠিন পরীক্ষা। শেষ ষোলোতে তারা আইভরি কোস্ট ও নরওয়ে ম্যাচে বিজয়ী দলের মুখোমুখি হবে। শেষ ষোলোর ম্যাচটা হবে ৬ জুলাই। ব্রাজিলের জন্য এটি হবে আরেকটি চ্যালেঞ্জিং ম্যাচ, যেখানে তাদের নিজেদের সেরাটা দিতে হবে।
মার্তিনেল্লির গোলটি ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি বলটি নিয়ে জাপানের ডিফেন্স ভেঙে অসাধারণ শটে গোল করেন। এই গোলটি পুরো ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেয়। ব্রাজিলের কোচ বলেছেন, “মার্তিনেল্লির মতো খেলোয়াড়ই বড় ম্যাচে পার্থক্য গড়ে দেয়।”



