২০২৬ বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বের দুই ম্যাচ শেষে গোল্ডেন বুটের দৌড়ে এগিয়ে আছেন লিওনেল মেসি, কিলিয়ান এমবাপ্পে, আর্লিং হালান্ড এবং ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো। মেসি ৫ গোল করে শীর্ষে থাকলেও এমবাপ্পে ও হালান্ডের সংগ্রহ ৪টি করে। রোনালদো দুই গোল করে নিজের অবস্থান জানান দিয়েছেন। বিশ্বকাপ ইতিহাসে দ্বিতীয়বারের মতো প্রথম দুই ম্যাচের পর অন্তত তিনজন ফুটবলারের গোল সংখ্যা চার বা তার বেশি; আগের বার ছিল ১৯৫৪ সালে।
মেসির রেকর্ড ভাঙা যাত্রা
ডালাসে অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে জোড়া গোল করে মেসি বিশ্বকাপে নিজের গোল সংখ্যা ১৮-এ নিয়ে গেছেন, যা জার্মান কিংবদন্তি মিরোস্লাভ ক্লোসার ১৬ গোলের রেকর্ড ছাড়িয়ে গেছে। আর্জেন্টিনার পাঁচ গোলের সবকটিই এসেছে মেসির পা থেকে। ৩৮ বছর বয়সেও তিনি সময়ের বিরুদ্ধে লড়াই করে নিজের শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণ করছেন।
এমবাপ্পের ধারাবাহিকতা
ফ্রান্স অধিনায়ক এমবাপ্পে ইরাকের বিপক্ষে নিজের শততম আন্তর্জাতিক ম্যাচে জোড়া গোল করেন। তিনটি বিশ্বকাপ মিলিয়ে তার গোল সংখ্যা এখন ১৬। ২৭ বছর বয়সে তিনি বিশ্বকাপের সর্বোচ্চ গোলদাতাদের তালিকায় নিজের অবস্থান শক্ত করেছেন। ফরাসি ফুটবল বিশ্লেষক জুলিয়েন লরেন্সের মতে, এবারের বিশ্বকাপটি এমবাপ্পের বিশ্বকাপ হয়ে উঠতে পারে।
হালান্ডের অভিষেক ঝড়
নরওয়ের হালান্ড অভিষেক বিশ্বকাপেই টানা দুই ম্যাচে দুটি করে গোল করে সংগ্রহ চার করেছেন। আন্তর্জাতিক ফুটবলে নরওয়ের জার্সিতে ৫২ ম্যাচে তার গোল ৫৯টি। স্কটল্যান্ডের সাবেক স্ট্রাইকার অ্যালি ম্যাককয়েস্টের মতে, কেবল গোল করার দক্ষতার বিচারে হালান্ডের সমকক্ষ খুঁজে পাওয়া কঠিন।
রোনালদোর প্রত্যাবর্তন
উজবেকিস্তানের বিপক্ষে জোড়া গোল করে রোনালদো নিজের উপস্থিতি জানান দিয়েছেন। জার্মানির ডেনিজ আন্দাভ তিন গোল করে দৌড়ে রয়েছেন। মার্কিন ফরোয়ার্ড ফোলারিন বালোগুন মজা করে বলেছিলেন, মেসি, এমবাপ্পে আর হালান্ডকে দেখে বিরক্ত লাগে; কারণ তারা মাঠে নামলেই মনে হয় গোল করবেই। শেষ পর্যন্ত গোল্ডেন বুট কার হাতে উঠবে, তা এখন অনিশ্চিত।



